যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার টন ভুট্টা নিয়ে জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৫২:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
- / 68
প্রায় আট বছর বিরতির পর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পুনরায় ভুট্টা আমদানি শুরু করেছে বাংলাদেশ। এরই অংশ হিসেবে বুধবার যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৫৮ হাজার টনের বেশি ভুট্টা নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে।
ঢাকায় অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০১৮ সালের পর এই প্রথমবার বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টার চালান এল। চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো চালানটিতে ২০২৫-২৬ ফসল মৌসুমে নর্থ ডাকোটা, সাউথ ডাকোটা ও মিনেসোটায় উৎপাদিত মোট ৫৭ হাজার ৮৫৫ টন হলুদ ভুট্টা রয়েছে। ভুট্টাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাঙ্কুভার বন্দর থেকে জাহাজে করে পাঠানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই চালানকে স্বাগত জানাতে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এগ্রিকালচারাল অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট। তাঁর সঙ্গে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় তিনটি পশুখাদ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান- নাহার এগ্রো গ্রুপ, প্যারাগন গ্রুপ এবং নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেডের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি ক্রেতা জোটও উপস্থিত ছিল।
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস জানায়, গত আট বছরে প্রথমবারের মতো এই সরবরাহ বাংলাদেশের পশুখাদ্য প্রস্তুতকারকদের জন্য প্রাণী পুষ্টির একটি নির্ভরযোগ্য ও উচ্চমানের উৎস হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করেছে।
এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ শস্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গ্রেইন কর্পোরেশনের (ইউজিসি) এক কর্মকর্তা বলেন, আট বছর পর বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টার প্রথম চালানের অংশ হতে পেরে তারা গর্বিত। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি ভবিষ্যতেও বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের শস্য সরবরাহ অব্যাহত রাখার আগ্রহ প্রকাশ করেন।
আমদানিকারকরা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আনা ভুট্টার মান সন্তোষজনক এবং দামও তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী। প্রতিটন ভুট্টা আমদানিতে খরচ পড়েছে প্রায় ২৪৬ মার্কিন ডলার। ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভুট্টা আমদানির পরিকল্পনার কথাও জানান তারা।
উল্লেখ্য, দেশে উৎপাদিত ভুট্টা মোট চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ পূরণ করতে পারে। বাকি ৭০ শতাংশ ভুট্টা আমদানির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে দেশে ভুট্টার বার্ষিক চাহিদা প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন।































