ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 146

যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে জহিরুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে বাবু (৩৬) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক জাকির হোসেন টিপু এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত বাবু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পিপি মাহাবুবুর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ জুলাই দুপুরে বাবু তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (৩২) এবং দুই মেয়ে সুমাইয়া (৯) ও সাফিয়াকে (২) নিয়ে শ্বশুরবাড়ি অভয়নগরের সিদ্ধিপাশা গ্রাম থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথে চাঁপাতলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

পরে মরদেহগুলো যশোর-খুলনা মহাসড়কের পাশে চেঙ্গুটিয়া এলাকার একটি বাগানে ফেলে দেন। ঘটনার পর বাবু নিজেই বসুন্দিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে গিয়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। পুলিশ পরে তাকে হেফাজতে নেয়।

নিহত সাবিনা ইয়াসমিন বিথির বাবা মুজিবুর রহমান এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল এবং বাবু প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। ঘটনার দিনও ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যা করেন তিনি।

তদন্ত শেষে অভয়নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম হোসেন ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর জহিরুল ইসলাম বিশ্বাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সোমবার রায় ঘোষণা করে বাবুকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যশোরে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যা: যুবকের মৃত্যুদণ্ড

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তানকে শ্বাসরোধে হত্যার দায়ে জহিরুল ইসলাম বিশ্বাস ওরফে বাবু (৩৬) নামে এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-৫ এর বিচারক জাকির হোসেন টিপু এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত বাবু আদালতে উপস্থিত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পিপি মাহাবুবুর রহমান।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১৫ জুলাই দুপুরে বাবু তার স্ত্রী সাবিনা ইয়াসমিন বিথি (৩২) এবং দুই মেয়ে সুমাইয়া (৯) ও সাফিয়াকে (২) নিয়ে শ্বশুরবাড়ি অভয়নগরের সিদ্ধিপাশা গ্রাম থেকে নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। পথে চাঁপাতলা এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েকে শ্বাসরোধে হত্যা করেন।

পরে মরদেহগুলো যশোর-খুলনা মহাসড়কের পাশে চেঙ্গুটিয়া এলাকার একটি বাগানে ফেলে দেন। ঘটনার পর বাবু নিজেই বসুন্দিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে গিয়ে হত্যার বিষয়টি স্বীকার করেন। পুলিশ পরে তাকে হেফাজতে নেয়।

নিহত সাবিনা ইয়াসমিন বিথির বাবা মুজিবুর রহমান এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য কলহ চলছিল এবং বাবু প্রায়ই স্ত্রীকে নির্যাতন করতেন। ঘটনার দিনও ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রী ও দুই মেয়েকে হত্যা করেন তিনি।

তদন্ত শেষে অভয়নগর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) গোলাম হোসেন ২০২২ সালের ৩০ নভেম্বর জহিরুল ইসলাম বিশ্বাসকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত সোমবার রায় ঘোষণা করে বাবুকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।