ঢাকা ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যমুনার গর্ভে বিলীন তিনতলা স্কুল ভবন

নিজস্ব প্রতিবেদক, মানিকগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫
  • / 665

যমুনার গর্ভে বিলীন তিনতলা স্কুল ভবন

গত কয়েক দিনের যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনের মুখে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে দৌলতপুর উপজেলার ভারাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন।

গত শনিবার (৭ জুন) দুপুরের দিকে স্কুল ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মানিকগঞ্জ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাচামারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ওয়াজেদ আলী সরকার জানান, কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীর ভাঙনের মুখে পড়ে দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের ৮৭নং নিজ ভারাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। প্রথমদিকে স্কুলের কিছু অংশ নদীগর্ভে ডুবে যায়। পরে শনিবার দুপুরের দিকে ভবনের বাকি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভবনের ভিতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ও অন্যান্য মালামালসহ কিছু আসবাবপত্র বাইরে বের করা গেলেও অন্য কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিয়ান নুরেন জানান, আমরা খবর পেয়ে শুক্রবার তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয় ভবন পরিদর্শনে একজন স্থানীয় প্রকৌশলীকে পাঠাই। তবে শনিবার জানতে পারি ভবনটি সম্পূর্ণরূপে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যমুনার গর্ভে বিলীন তিনতলা স্কুল ভবন

সর্বশেষ আপডেট ০২:২৯:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ জুন ২০২৫

গত কয়েক দিনের যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনের মুখে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে দৌলতপুর উপজেলার ভারাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তিনতলা ভবন।

গত শনিবার (৭ জুন) দুপুরের দিকে স্কুল ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) মানিকগঞ্জ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. খোরশেদ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বাচামারা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সদস্য (মেম্বার) ওয়াজেদ আলী সরকার জানান, কয়েক দিন ধরে যমুনা নদীর ভাঙনের মুখে পড়ে দৌলতপুর উপজেলার বাচামারা ইউনিয়নের ৮৭নং নিজ ভারাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। প্রথমদিকে স্কুলের কিছু অংশ নদীগর্ভে ডুবে যায়। পরে শনিবার দুপুরের দিকে ভবনের বাকি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভবনের ভিতরে থাকা চেয়ার-টেবিল ও অন্যান্য মালামালসহ কিছু আসবাবপত্র বাইরে বের করা গেলেও অন্য কিছু উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

দৌলতপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাহিয়ান নুরেন জানান, আমরা খবর পেয়ে শুক্রবার তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যালয় ভবন পরিদর্শনে একজন স্থানীয় প্রকৌশলীকে পাঠাই। তবে শনিবার জানতে পারি ভবনটি সম্পূর্ণরূপে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।