ঢাকা ১০:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যমজ দুই বোন পেলেন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 138

এবার মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন যমজ দুই বোন। তবে দুই বোন দুই মেডিকেল কলেজে। ফাবিহা জামান মিহা ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। লামিসা জামান লিহা সুযোগ পেয়েছেন নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজে। তারা নান্দাইল উপজেলার ভাটি সাভার গ্রামের ডা. কামরুজ্জামান মানিক ও কলেজ শিক্ষক তসলিমা বেগম লাভলীর সন্তান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিহা ও লিহা ময়মনসিংহ শহরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ালেখা করেছেন। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় দুজনই গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও গোল্ডেন এ প্লাস পান তারা। উভয় পরীক্ষাতেই মেধাবৃত্তি পেয়েছেন।

তাদের বাবা ডা. কামরুজ্জামান মানিক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। মা তসলিমা বেগম লাভলী ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। বর্তমানে তারা ময়মনসিংহের বাউন্ডারি রোডে বসবাস করছেন। যমজ দুই বোনের একসঙ্গে মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পাওয়ার খবরটি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছে। তাদের এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

ডা. কামরুজ্জামান মানিক জানান, তাঁর দুই মেয়ের এই সাফল্য শুধু তাদের পরিবারের নয়, পুরো নান্দাইলবাসীর। তাদের এই সাফল্য আশপাশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যমজ দুই বোন পেলেন মেডিকেলে ভর্তির সুযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন যমজ দুই বোন। তবে দুই বোন দুই মেডিকেল কলেজে। ফাবিহা জামান মিহা ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে। লামিসা জামান লিহা সুযোগ পেয়েছেন নেত্রকোনা মেডিকেল কলেজে। তারা নান্দাইল উপজেলার ভাটি সাভার গ্রামের ডা. কামরুজ্জামান মানিক ও কলেজ শিক্ষক তসলিমা বেগম লাভলীর সন্তান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মিহা ও লিহা ময়মনসিংহ শহরের ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে পড়ালেখা করেছেন। ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষায় দুজনই গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে উত্তীর্ণ হন। ২০২৫ সালের এইচএসসি পরীক্ষায়ও গোল্ডেন এ প্লাস পান তারা। উভয় পরীক্ষাতেই মেধাবৃত্তি পেয়েছেন।

তাদের বাবা ডা. কামরুজ্জামান মানিক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক। মা তসলিমা বেগম লাভলী ময়মনসিংহের নাসিরাবাদ কলেজের রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান। বর্তমানে তারা ময়মনসিংহের বাউন্ডারি রোডে বসবাস করছেন। যমজ দুই বোনের একসঙ্গে মেডিকেল কলেজে পড়ার সুযোগ পাওয়ার খবরটি এলাকায় চমক সৃষ্টি করেছে। তাদের এই সাফল্যে পরিবার, স্বজন ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে।

ডা. কামরুজ্জামান মানিক জানান, তাঁর দুই মেয়ের এই সাফল্য শুধু তাদের পরিবারের নয়, পুরো নান্দাইলবাসীর। তাদের এই সাফল্য আশপাশের শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণা জোগাবে।