যবিপ্রবি উপাচার্যকে ‘মুলা’ দিলো শিক্ষার্থীরা!
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬
- / 34
আবাসিক হলের নিরাপত্তা, ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসাসেবা, ক্যাম্পাসের আয়তন বৃদ্ধি ও পরিকল্পিত উন্নয়নসহ একাধিক দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্যের কার্যালয়ে প্রতীকী প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপাচার্য ড. আব্দুল মজিদের অনুপস্থিতিতে তাঁর কার্যালয়ের কর্মকর্তা পার্থ সারথী দাসের হাতে একটি ঝুঁড়ি ভর্তি মুলা তুলে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
প্রতিবাদ শেষে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাস ও আবাসিক হলে পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা না থাকায় নিয়মিত চুরির ঘটনা ঘটছে। অথচ এসব বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এছাড়া প্রায় ছয় মাস ধরে রাস্তা সংস্কারের কাজ বারবার শুরু ও বন্ধ হলেও এখনো তা সম্পূর্ণ হয়নি। বাকি অংশ সংস্কারে প্রশাসনের কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই বলেও অভিযোগ করেন তারা।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হয়নি। বন্ধের দিনগুলোতে সেবা বন্ধ থাকে এবং চিকিৎসা সেবাকে হলের সঙ্গে সংযুক্ত করে শিক্ষার্থীদের হয়রানি করা হচ্ছে। দেড় বছর দায়িত্বে থাকার পরও প্রশাসন ক্যাম্পাস সম্প্রসারণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি ক্যাম্পাসের প্রধান ফটক থেকে হল ও একাডেমিক ভবন পর্যন্ত পর্যাপ্ত আলোকসজ্জার ব্যবস্থাও নেই।
এসময় শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মো. হাবিবুর রহমান ইমরান বলেন, “উপাচার্য স্যারের দায়িত্ব গ্রহণের দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও শিক্ষার্থীদের মৌলিক দাবিগুলো বাস্তবায়ন হয়নি। তিনি বারবার আশ্বাস দিলেও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা, চিকিৎসাসেবা ও অবকাঠামো উন্নয়নে কোনো কার্যকর উদ্যোগ দেখা যায়নি।”
আরেক শিক্ষার্থী সামিউল আলিম সামি বলেন, “আমাদের দাবিগুলো একাধিকবার প্রশাসনের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। কিন্তু বাস্তব কোনো অগ্রগতি না থাকায় আমরা প্রতীকীভাবে মুলা উপহার দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি।”
এ বিষয়ে যবিপ্রবির উপাচার্য ড. আব্দুল মজিদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য কর্মকর্তা নাজমুল হুসাইনের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে অন্য একটি গণমাধ্যমে তিনি জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তবে বিস্তারিত জানেন না।































