ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

মোংলায় অবৈধ কাঁকড়ার নৌকায় চাঁদাবাজি

নিজস্ব প্রতিবেদক, মোংলা 
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 357

মোংলায় অবৈধ কাঁকড়ার নৌকায় চাঁদাবাজি

মোংলায় সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে শিকার হওয়া কাঁকড়ার নৌকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা নিতে গিয়ে স্থানীয় তিন চাঁদাবাজ গণপিটুনির শিকার হন। এর মধ্যে মিলন মল্লিক নামের এক চাঁদাবাজকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশে দিলেও পরে প্রভাবশালীদের তদবিরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। একইভাবে জব্দ হওয়া অবৈধ কাঁকড়ার নৌকাগুলোও রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের দাবি, রাজনৈতিক তদবিরে চাঁদাবাজকে এবং মানবিক কারণে জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, সোমবার (১১ আগস্ট) রাত ১টার দিকে সুন্দরবন থেকে নিষিদ্ধ সময়ে আহরণকৃত কাঁকড়ার ২০টি নৌকা বাঁশতলা বাজার সংলগ্ন খালে আসে। তিন চাঁদাবাজ জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করলে প্রথমে এক হাজার, পরে দুই হাজার টাকা দিলেও তারা সন্তুষ্ট হননি। পরে বাকবিতণ্ডা ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটে।

চটেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, শীর্ষ বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের তদবিরে চাঁদাবাজকে এবং মানবিক কারণে জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মোংলা থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।

সুন্দরবনে ১ জুন থেকে তিন মাসের কাঁকড়া ও মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলছে। জেলেদের অভিযোগ, বনবিভাগের কতিপয় কর্মকর্তাকে নৌকা প্রতি সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে তারা অবৈধভাবে কাঁকড়া আহরণ করছেন। এ বিষয়ে চাঁদপাই রেঞ্জের কর্মকর্তা অভিক চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই এবং তিনি তদন্ত করবেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চাঁদাবাজকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ

মোংলায় অবৈধ কাঁকড়ার নৌকায় চাঁদাবাজি

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৫

মোংলায় সুন্দরবন থেকে অবৈধভাবে শিকার হওয়া কাঁকড়ার নৌকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা নিতে গিয়ে স্থানীয় তিন চাঁদাবাজ গণপিটুনির শিকার হন। এর মধ্যে মিলন মল্লিক নামের এক চাঁদাবাজকে স্থানীয়রা ধরে পুলিশে দিলেও পরে প্রভাবশালীদের তদবিরে তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। একইভাবে জব্দ হওয়া অবৈধ কাঁকড়ার নৌকাগুলোও রহস্যজনকভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের দাবি, রাজনৈতিক তদবিরে চাঁদাবাজকে এবং মানবিক কারণে জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে জনমনে ক্ষোভ ও পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়দের তথ্যমতে, সোমবার (১১ আগস্ট) রাত ১টার দিকে সুন্দরবন থেকে নিষিদ্ধ সময়ে আহরণকৃত কাঁকড়ার ২০টি নৌকা বাঁশতলা বাজার সংলগ্ন খালে আসে। তিন চাঁদাবাজ জেলেদের কাছ থেকে চাঁদা দাবি করলে প্রথমে এক হাজার, পরে দুই হাজার টাকা দিলেও তারা সন্তুষ্ট হননি। পরে বাকবিতণ্ডা ও গণপিটুনির ঘটনা ঘটে।

চটেরহাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ রফিকুল ইসলাম জানান, শীর্ষ বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের তদবিরে চাঁদাবাজকে এবং মানবিক কারণে জেলেদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে মোংলা থানার ওসি আনিসুর রহমান বলেন, তিনি এ বিষয়ে কিছু জানেন না।

সুন্দরবনে ১ জুন থেকে তিন মাসের কাঁকড়া ও মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা চলছে। জেলেদের অভিযোগ, বনবিভাগের কতিপয় কর্মকর্তাকে নৌকা প্রতি সাত হাজার টাকা ঘুষ দিয়ে তারা অবৈধভাবে কাঁকড়া আহরণ করছেন। এ বিষয়ে চাঁদপাই রেঞ্জের কর্মকর্তা অভিক চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

পূর্ব সুন্দরবন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রেজাউল করিম বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই এবং তিনি তদন্ত করবেন।