ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেহেরপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক, মেহেরপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 74

মেহেরপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত

মেহেরপুর-২ আসনের মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাংনী উপজেলা শহর এক সময় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সংঘর্ষ শুরু হয় মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন এবং মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপি সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নীরব দর্শকের মতো আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমজাদ হোসেন শহরের বাসস্ট্যান্ড দিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যাচ্ছিলেন। এসময় মনোনয়ন বঞ্চিত জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমজাদ হোসেন তার কার্যালয়ে অবস্থান নিলে জাভেদ সমর্থকরা অফিসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কিছু নেতাকর্মী আহত হন। নেতাকর্মীরা অফিসের বাইরে থাকা মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে।

হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেনের পক্ষের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। এসময় তারা জাভেদ মাসুদ মিল্টনের অফিসে হামলা চালিয়ে অফিসের আসবাবপত্র বের করে আগুন ধরিয়ে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শহরে আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল চলছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের একটি পিকআপ ও পরে সেনাবাহিনীর টহল গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়। তবে পরবর্তীতে হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হলে পুলিশের কার্যক্রম দেখা যায়নি। গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানি ইসরাইল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মেহেরপুরের দুটি আসনে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই মেহেরপুর-২ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে জেলা বিএনপি সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল করছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মেহেরপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ জন আহত

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৩:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

মেহেরপুর-২ আসনের মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে গাংনী উপজেলা শহর এক সময় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে সংঘর্ষ শুরু হয় মনোনয়নপ্রাপ্ত সাবেক এমপি আমজাদ হোসেন এবং মনোনয়ন বঞ্চিত জেলা বিএনপি সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের পক্ষের নেতাকর্মীদের মধ্যে। এ ঘটনায় অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নীরব দর্শকের মতো আচরণ করার অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মেহেরপুর-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী আমজাদ হোসেন শহরের বাসস্ট্যান্ড দিয়ে নেতাকর্মীদের সঙ্গে যাচ্ছিলেন। এসময় মনোনয়ন বঞ্চিত জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা তাদের ওপর হামলা চালায়। পরে আমজাদ হোসেন তার কার্যালয়ে অবস্থান নিলে জাভেদ সমর্থকরা অফিসে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং কিছু নেতাকর্মী আহত হন। নেতাকর্মীরা অফিসের বাইরে থাকা মোটরসাইকেলও ভাঙচুর করে।

হামলার খবর পেয়ে হাসপাতাল বাজার থেকে উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলুর নেতৃত্বে আমজাদ হোসেনের পক্ষের নেতাকর্মীরা একটি মিছিল বের করে বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। এসময় তারা জাভেদ মাসুদ মিল্টনের অফিসে হামলা চালিয়ে অফিসের আসবাবপত্র বের করে আগুন ধরিয়ে দেয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত শহরে আমজাদ হোসেনের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল চলছে।

প্রাথমিকভাবে পুলিশের একটি পিকআপ ও পরে সেনাবাহিনীর টহল গাড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়। তবে পরবর্তীতে হামলা-পাল্টা হামলা শুরু হলে পুলিশের কার্যক্রম দেখা যায়নি। গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বানি ইসরাইল জানিয়েছেন, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে।

এর আগে, সোমবার সন্ধ্যায় বিএনপির মহাসচিব মেহেরপুরের দুটি আসনে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করেন। এরপর থেকেই মেহেরপুর-২ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের দাবিতে জেলা বিএনপি সভাপতি জাভেদ মাসুদ মিল্টনের সমর্থকরা বিক্ষোভ মিছিল করছিল।