ঢাকা ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়ের প্রতি বিল গেইটসের অনন্য উদাহরণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫
  • / 249

মেয়ের প্রতি বিল গেইটসের অনন্য উদাহরণ

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি এবং মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু একজন প্রযুক্তিপ্রতিভা নন, একজন আদর্শ বাবা। শত ব্যস্ততার মাঝেও ছোট মেয়ে ফোবি গেটসের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর শপিং অ্যাপ ‘ফিয়া’র গ্রাহকসেবা টিমে এক দিনের জন্য কাজ করে মেয়ের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

লিংকডইন-এ নিজের পোস্টে বিল গেটস লিখেছেন, “আমি আবার স্টার্টআপ জগতে প্রবেশ করছি। যখন আপনার মেয়ে জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি তার স্টার্টআপের গ্রাহকসেবায় পরিবর্তন আনতে ইচ্ছুক, তখন একমাত্র সঠিক উত্তর হলো, হ্যাঁ।”

তিনি বলেন, প্রযুক্তি কীভাবে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে আরও সহজ, ন্যায়সঙ্গত এবং কার্যকর করে তুলতে পারে, তা জানার আগ্রহে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় ফিয়া’র ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা সরাসরি জানতেই তিনি গ্রাহকসেবা দলে যোগ দেন।

ফোবির অ্যাপ ‘ফিয়া’ কী?
ফিয়া হলো একটি এআই-চালিত ফ্যাশন ও শপিং অ্যাপ এবং ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা ব্যবহারকারীদের স্মার্ট ও টেকসই কেনাকাটায় সহায়তা করে। নতুন ও পুরোনো পণ্যের সেরা দাম অনুসন্ধান করে এবং হাজারো অনলাইন খুচরা বিক্রেতার দামের তুলনামূলক তথ্য প্রদর্শন করে। প্ল্যাটফর্মটির লক্ষ্য, ফ্যাশনের জগতে কেনাকাটার পদ্ধতি নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা।

২২ বছর বয়সী ফোবি গেটস তার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রুমমেট সোফিয়া কিয়ানির সঙ্গে মিলে অ্যাপটি তৈরি করেন। তাদের লক্ষ্য, ফ্যাশন দুনিয়ায় ফিয়া যেন ‘বুকিং ডটকম’-এর মতো দামতুলনামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

মেয়ের স্টার্টআপে অর্থ নয়, দিচ্ছেন দিকনির্দেশনা
বিশ্বব্যাপী গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজে বিল গেটস শত শত কোটি ডলার দান করলেও, মেয়ের এই উদ্যোগে তিনি এখনো কোনো অর্থ বিনিয়োগ করেননি। তবে বিনিয়োগের পরিবর্তে মেয়েকে দিচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা।

বিল গেটসের চোখে ফিয়া
গেটস লিখেছেন, “যেসব উদ্যোক্তা আমাদের কেনাকাটার ধরণ পরিবর্তন করার মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তাদের প্রতি আমার দারুণ শ্রদ্ধা। তারা অনুপ্রেরণার উৎস। আমি তাদের হয়ে কাজ করতে পেরে গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন, “ফিয়ার মতো প্ল্যাটফর্ম কীভাবে ব্যবহারকারীদের জীবন সহজ করতে পারে এবং ভবিষ্যতের ভোক্তা আচরণ কেমন হবে, তা বোঝা ও শেখার জন্য এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ।”

এই ঘটনাটি শুধু একটি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগকে ঘিরে নয়, বরং এক পিতার পক্ষ থেকে তার কন্যার স্বপ্নকে সম্মান ও সমর্থন জানানোর এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মেয়ের প্রতি বিল গেইটসের অনন্য উদাহরণ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ জুলাই ২০২৫

বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি এবং মাইক্রোসফটের সহ-প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস আবারও প্রমাণ করলেন, তিনি শুধু একজন প্রযুক্তিপ্রতিভা নন, একজন আদর্শ বাবা। শত ব্যস্ততার মাঝেও ছোট মেয়ে ফোবি গেটসের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিনির্ভর শপিং অ্যাপ ‘ফিয়া’র গ্রাহকসেবা টিমে এক দিনের জন্য কাজ করে মেয়ের প্রতি ভালোবাসার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি।

লিংকডইন-এ নিজের পোস্টে বিল গেটস লিখেছেন, “আমি আবার স্টার্টআপ জগতে প্রবেশ করছি। যখন আপনার মেয়ে জিজ্ঞাসা করে, তুমি কি তার স্টার্টআপের গ্রাহকসেবায় পরিবর্তন আনতে ইচ্ছুক, তখন একমাত্র সঠিক উত্তর হলো, হ্যাঁ।”

তিনি বলেন, প্রযুক্তি কীভাবে আমাদের দৈনন্দিন কার্যক্রমকে আরও সহজ, ন্যায়সঙ্গত এবং কার্যকর করে তুলতে পারে, তা জানার আগ্রহে দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে যাচ্ছেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় ফিয়া’র ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতা সরাসরি জানতেই তিনি গ্রাহকসেবা দলে যোগ দেন।

ফোবির অ্যাপ ‘ফিয়া’ কী?
ফিয়া হলো একটি এআই-চালিত ফ্যাশন ও শপিং অ্যাপ এবং ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা ব্যবহারকারীদের স্মার্ট ও টেকসই কেনাকাটায় সহায়তা করে। নতুন ও পুরোনো পণ্যের সেরা দাম অনুসন্ধান করে এবং হাজারো অনলাইন খুচরা বিক্রেতার দামের তুলনামূলক তথ্য প্রদর্শন করে। প্ল্যাটফর্মটির লক্ষ্য, ফ্যাশনের জগতে কেনাকাটার পদ্ধতি নতুন করে সংজ্ঞায়িত করা।

২২ বছর বয়সী ফোবি গেটস তার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রুমমেট সোফিয়া কিয়ানির সঙ্গে মিলে অ্যাপটি তৈরি করেন। তাদের লক্ষ্য, ফ্যাশন দুনিয়ায় ফিয়া যেন ‘বুকিং ডটকম’-এর মতো দামতুলনামূলক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

মেয়ের স্টার্টআপে অর্থ নয়, দিচ্ছেন দিকনির্দেশনা
বিশ্বব্যাপী গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজে বিল গেটস শত শত কোটি ডলার দান করলেও, মেয়ের এই উদ্যোগে তিনি এখনো কোনো অর্থ বিনিয়োগ করেননি। তবে বিনিয়োগের পরিবর্তে মেয়েকে দিচ্ছেন গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়িক পরামর্শ ও অনুপ্রেরণা।

বিল গেটসের চোখে ফিয়া
গেটস লিখেছেন, “যেসব উদ্যোক্তা আমাদের কেনাকাটার ধরণ পরিবর্তন করার মতো বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তাদের প্রতি আমার দারুণ শ্রদ্ধা। তারা অনুপ্রেরণার উৎস। আমি তাদের হয়ে কাজ করতে পেরে গর্বিত।”

তিনি আরও বলেন, “ফিয়ার মতো প্ল্যাটফর্ম কীভাবে ব্যবহারকারীদের জীবন সহজ করতে পারে এবং ভবিষ্যতের ভোক্তা আচরণ কেমন হবে, তা বোঝা ও শেখার জন্য এই অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ।”

এই ঘটনাটি শুধু একটি প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোগকে ঘিরে নয়, বরং এক পিতার পক্ষ থেকে তার কন্যার স্বপ্নকে সম্মান ও সমর্থন জানানোর এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হয়ে রইল।