ঢাকা ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেঘনায় নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার, ২০০ কেজি ইলিশ জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, লক্ষ্মীপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 123

মেঘনায় নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার, ২০০ কেজি ইলিশ জব্দ

ইলিশ সংরক্ষণে চলমান নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদী এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে দেড় লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং প্রায় ২০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা। উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী ও মজুচৌধুরীর হাট কোস্টগার্ড সদস্যরা।

প্রশাসনের তথ্যমতে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ১৯ আশ্বিন থেকে ৯ কার্তিক পর্যন্ত— অর্থাৎ ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুদ নিষিদ্ধ। এই সময় ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে দেশের সব সামুদ্রিক জলসীমায়।

এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল ও অভিযান চলছে। মঙ্গলবারের অভিযানে জব্দকৃত কারেন্ট জাল মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও অসহায়-দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মেঘনায় নিষিদ্ধ সময়ে মাছ শিকার, ২০০ কেজি ইলিশ জব্দ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৫

ইলিশ সংরক্ষণে চলমান নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে বড় ধরনের অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর ও কোস্টগার্ড।

মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদী এলাকায় এই যৌথ অভিযান পরিচালিত হয়। এতে দেড় লাখ মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল এবং প্রায় ২০০ কেজি জাটকা ইলিশ জব্দ করা হয়। তবে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা। উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম, সদর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী ও মজুচৌধুরীর হাট কোস্টগার্ড সদস্যরা।

প্রশাসনের তথ্যমতে, ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ১৯ আশ্বিন থেকে ৯ কার্তিক পর্যন্ত— অর্থাৎ ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সব ধরনের মাছ ধরা, পরিবহন, বিক্রি ও মজুদ নিষিদ্ধ। এই সময় ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ আহরণে নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে দেশের সব সামুদ্রিক জলসীমায়।

এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকরে মেঘনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে টহল ও অভিযান চলছে। মঙ্গলবারের অভিযানে জব্দকৃত কারেন্ট জাল মজুচৌধুরীর হাট এলাকায় পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

এ ছাড়া উদ্ধার করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও অসহায়-দুস্থদের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।