ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুসংহত হোক : প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 109

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুসংহত হোক : প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পৃথিবীতে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরও দৃঢ় হোক।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, সর্বশেষ নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত এ দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মহিমান্বিত। এ উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ। তিনি মানবজাতিকে অন্যায়, অবিচার, অন্ধকার ও দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা দিয়েছেন। কোরআনে তাঁকে ‘সিরাজাম মুনিরা’ অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ বলা হয়েছে, যিনি মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য, অনন্য চারিত্রিক গুণাবলি এবং মহৎ আদর্শের জন্য মহানবী (সা.)-এর জীবনকে কোরআনে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’ বা সুন্দরতম আদর্শ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর শিক্ষা প্রতিটি যুগের মানুষের জন্য মুক্তির পথ প্রদর্শক।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মহানবীর আদর্শ ও সুন্নাহ ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনের জন্য উৎকৃষ্ট অনুসরণীয় পথ। এর মধ্যেই রয়েছে মুসলমানদের সফলতা, শান্তি ও কল্যাণের নিশ্চয়তা।

তিনি কামনা করেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা বয়ে আনুক, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরও সুদৃঢ় হোক এবং মহানবীর শিক্ষা অনুসরণের মধ্য দিয়ে ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তি নিশ্চিত হোক।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মুসলিম উম্মাহর ঐক্য সুসংহত হোক : প্রধান উপদেষ্টা

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৬:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবনাদর্শ, শিক্ষা ও সুন্নাহ অনুসরণ করলে আজকের দ্বন্দ্ব-সংঘাতময় পৃথিবীতে শান্তি, ন্যায় ও কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরও দৃঢ় হোক।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি বলেন, সর্বশেষ নবী ও রাসুল হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম ও ওফাতের স্মৃতিবিজড়িত এ দিন মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত মহিমান্বিত। এ উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, হযরত মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন ‘রাহমাতুল্লিল আলামিন’ সমগ্র বিশ্বের জন্য রহমতস্বরূপ। তিনি মানবজাতিকে অন্যায়, অবিচার, অন্ধকার ও দাসত্ব থেকে মুক্তি দিয়ে শান্তি, প্রগতি ও কল্যাণের বার্তা দিয়েছেন। কোরআনে তাঁকে ‘সিরাজাম মুনিরা’ অর্থাৎ আলোকোজ্জ্বল প্রদীপ বলা হয়েছে, যিনি মানুষকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করেছেন।

তিনি আরও বলেন, আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য, অনন্য চারিত্রিক গুণাবলি এবং মহৎ আদর্শের জন্য মহানবী (সা.)-এর জীবনকে কোরআনে ‘উসওয়াতুন হাসানাহ’ বা সুন্দরতম আদর্শ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তাঁর শিক্ষা প্রতিটি যুগের মানুষের জন্য মুক্তির পথ প্রদর্শক।

অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, মহানবীর আদর্শ ও সুন্নাহ ধর্মীয় ও পার্থিব জীবনের জন্য উৎকৃষ্ট অনুসরণীয় পথ। এর মধ্যেই রয়েছে মুসলমানদের সফলতা, শান্তি ও কল্যাণের নিশ্চয়তা।

তিনি কামনা করেন, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) শান্তি ও সমৃদ্ধির বার্তা বয়ে আনুক, মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরও সুদৃঢ় হোক এবং মহানবীর শিক্ষা অনুসরণের মধ্য দিয়ে ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তি নিশ্চিত হোক।