ঢাকা ১০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুশফিক–লিটনের শতকে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৭৬

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • / 110

মুশফিক–লিটনের শতকে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৭৬

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ দল। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ঝলমলে সেঞ্চুরির ওপর ভর করে টাইগাররা প্রথম ইনিংসে থেমেছে ৪৭৬ রানে। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল পাঁচশর ঘর পেরিয়ে যাবে স্বাগতিকরা, কিন্তু শেষ দিকের ব্যাটাররা বড় সংগ্রহ গড়তে না পারায় সেই মাইলফলক আর ছোঁয়া হয়নি।

এই ইনিংসে চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেটে তিনটি শতরানের জুটি গড়ে বিরল এক কৃতিত্ব দেখিয়েছে বাংলাদেশ। দেশের টেস্ট ইতিহাসে এমন দৃশ্য এর আগে মাত্র দু’বার দেখা গেছে। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক–মুমিনুল, পঞ্চম উইকেটে মুশফিক–লিটন এবং ষষ্ঠ উইকেটে লিটন–মিরাজের জুটিগুলো দলকে বড় স্কোর গড়তে সাহায্য করেছে।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এসেছে লিটনের ব্যাট থেকে। ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে তিনি খেলেছেন ১২৮ রানের পরিপাটি ইনিংস। অন্যদিকে নিজের শততম টেস্টে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে মুশফিক করেছেন ১০৬ রান। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ম্যাকব্রাইন একাই তুলে নিয়েছেন ছয়টি উইকেট।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই মাত্র এক রানের ব্যবধানে থাকা মুশফিক সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন। কিছুক্ষণ পরই তিনি আউট হলে লিটনের সঙ্গে গড়া ১০৮ রানের জুটি ভেঙে যায়। তবে লিটন নিজের ছন্দ ধরে রেখে পৌঁছে যান শতকে এবং পরে ৮ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ১২৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বিদায় নেন।

লিটনের সঙ্গে মিরাজও ৪৭ রানের ইনিংস খেলে ষষ্ঠ উইকেটে আরেকটি শতরানের জুটি গড়েন। কিন্তু দু’জনের বিদায়ের পর ইনিংসে আসে ধস। তাইজুল, হাসান মুরাদ ও এবাদত কিছু রান যোগ করলেও দলকে পাঁচশর ওপরে নিতে পারেননি কেউই। তাইজুল করেন ৪, হাসান ১১ এবং এবাদত ১৮ রান।

এর আগে প্রথম দিন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২৯২। তখন মুশফিক ৯৯ এবং লিটন ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মুশফিক–লিটনের শতকে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৭৬

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টে দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শন করেছে বাংলাদেশ দল। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের ঝলমলে সেঞ্চুরির ওপর ভর করে টাইগাররা প্রথম ইনিংসে থেমেছে ৪৭৬ রানে। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল পাঁচশর ঘর পেরিয়ে যাবে স্বাগতিকরা, কিন্তু শেষ দিকের ব্যাটাররা বড় সংগ্রহ গড়তে না পারায় সেই মাইলফলক আর ছোঁয়া হয়নি।

এই ইনিংসে চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেটে তিনটি শতরানের জুটি গড়ে বিরল এক কৃতিত্ব দেখিয়েছে বাংলাদেশ। দেশের টেস্ট ইতিহাসে এমন দৃশ্য এর আগে মাত্র দু’বার দেখা গেছে। চতুর্থ উইকেটে মুশফিক–মুমিনুল, পঞ্চম উইকেটে মুশফিক–লিটন এবং ষষ্ঠ উইকেটে লিটন–মিরাজের জুটিগুলো দলকে বড় স্কোর গড়তে সাহায্য করেছে।

দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রান এসেছে লিটনের ব্যাট থেকে। ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে তিনি খেলেছেন ১২৮ রানের পরিপাটি ইনিংস। অন্যদিকে নিজের শততম টেস্টে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে মুশফিক করেছেন ১০৬ রান। আয়ারল্যান্ডের হয়ে ম্যাকব্রাইন একাই তুলে নিয়েছেন ছয়টি উইকেট।

দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই মাত্র এক রানের ব্যবধানে থাকা মুশফিক সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন। কিছুক্ষণ পরই তিনি আউট হলে লিটনের সঙ্গে গড়া ১০৮ রানের জুটি ভেঙে যায়। তবে লিটন নিজের ছন্দ ধরে রেখে পৌঁছে যান শতকে এবং পরে ৮ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ১২৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে বিদায় নেন।

লিটনের সঙ্গে মিরাজও ৪৭ রানের ইনিংস খেলে ষষ্ঠ উইকেটে আরেকটি শতরানের জুটি গড়েন। কিন্তু দু’জনের বিদায়ের পর ইনিংসে আসে ধস। তাইজুল, হাসান মুরাদ ও এবাদত কিছু রান যোগ করলেও দলকে পাঁচশর ওপরে নিতে পারেননি কেউই। তাইজুল করেন ৪, হাসান ১১ এবং এবাদত ১৮ রান।

এর আগে প্রথম দিন বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৪ উইকেটে ২৯২। তখন মুশফিক ৯৯ এবং লিটন ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।