মুন্সীগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৫:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
- / 122
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৮ নভেম্বর) সন্ধ্যায় মাগরিব নামাজের সময় দেউলভোগ দয়হাটা এলাকার মসজিদের ভেতরে ও বাইরে এই ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন আব্দুর রহিম (৪৮), আক্তার হোসেন (৪৫), তরিকুল ইসলাম (৪০) ও মমিনুল ইসলাম ফাহিম (২২)। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের পক্ষ থেকে তরিকুল ইসলামের বোন রুবিনা আক্তারকে আটক করা হয়েছে।
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম উদ্দিন চৌধুরী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আওলাদ হোসেন উজ্জ্বলের শ্বশুর বীর মুক্তিযোদ্ধা রফিক খানের জানাজায় অংশ নিতে দলের নেতা-কর্মীরা মসজিদে যান। এসময় মসজিদ সংলগ্ন রাস্তায় তরিকুল ইসলামের মোটরসাইকেলে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের মনোনয়নপ্রার্থী শেখ আব্দুল্লাহর স্টিকার থাকায় অন্য মনোনয়নপ্রার্থী সরাফত আলী সপুরের এক কর্মী বিরূপ মন্তব্য করেন। এর জবাবে তরিকুল ও সপুরের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং সহিংসতা শুরু হয়।
মীর সরাফত আলী সপুর বলেন, ‘এটি একটি পরিকল্পিত হামলা। আমি নামাজরত অবস্থায় খবর পাই কর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে। প্রশাসনের সঙ্গে কথা হয়েছে; আজ রাতের মধ্যেই সকল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হোক।’ তিনি হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে প্রতিবাদ মিছিলেরও ঘোষণা দিয়েছেন।
অপরদিকে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম খান বলেন, ‘মনোনয়ন ঘোষণার পর থেকে দলীয় নির্দেশনা উপেক্ষা করে দলীয় প্রার্থীর পক্ষে কাজ না করে কিছু নেতা উস্কানিমূলক কর্মসূচি চালাচ্ছেন, যা দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করছে।’
শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত একজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, তরিকুলের মোটরসাইকেলে থাকা নির্বাচনি স্টিকারকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে সহিংসতা শুরু হয়। পুলিশ জানায়, তরিকুল ইসলামকে আগে হত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং পরে যুবদলের নেতাকর্মীরা তাকে থানা থেকে ছিনিয়ে নিয়েছিল। এরপর থেকে তরিকুলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।


































