ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় ১৯ প্রবাসী বাংলাদেশির আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, মালয়েশিয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 104

মালয়েশিয়ায় ১৯ প্রবাসী বাংলাদেশির আত্মসমর্পণ

মালয়েশিয়ার কেলানতান প্রদেশে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জন বিদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় অভিবাসন দপ্তরে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৯ জন বাংলাদেশি

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজ্য অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ খান জানান, আত্মসমর্পণকারীরা ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) অনুসারে দায় স্বীকার করেছেন। এই ধারা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা সংক্রান্ত অপরাধের বিষয়টি নির্দেশ করে।

তিনি বলেন, “এরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন কারণ তারা দেশে ফিরে যেতে চান এবং বুঝতে পেরেছেন যে তারা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছেন।”

অভিবাসন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সর্বাধিক ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক—২৯ জন। এরপর বাংলাদেশি ১৯ জন এবং থাইল্যান্ডের ১৭ জন। বাকিদের মধ্যে ভারত, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ফিলিপাইন, সুদান, নাইজেরিয়া, লাওস ও ইরাকের নাগরিকও রয়েছেন।

এছাড়া, রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে—তাদের মধ্যে দুইজন কম্বোডিয়ান ও একজন থাই নাগরিক। তারা ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ১৫(১)(সি) ও ৫৫ই লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হন। এসব ধারা অনুযায়ী অপরাধ হলো মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান এবং অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় প্রদান।

মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে ৪৯৩ জন অননুমোদিত বিদেশি আটক হয়েছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকদের সংখ্যা বেশি।

তিনি আরও বলেন, “যারা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন, তাদের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয় এবং নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা সহজ হয়।”

অভিবাসন কর্তৃপক্ষ সকল বিদেশিকে সতর্ক করে জানিয়েছে—যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা যারা অভিবাসন আইন ভঙ্গ করেছেন, তারা যেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মালয়েশিয়ায় ১৯ প্রবাসী বাংলাদেশির আত্মসমর্পণ

সর্বশেষ আপডেট ১১:০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

মালয়েশিয়ার কেলানতান প্রদেশে চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৮২ জন বিদেশি নাগরিক স্বেচ্ছায় অভিবাসন দপ্তরে আত্মসমর্পণ করেছেন। তাদের মধ্যে ১৯ জন বাংলাদেশি

শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাজ্য অভিবাসন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ খান জানান, আত্মসমর্পণকারীরা ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩-এর ধারা ১৫(১)(সি) অনুসারে দায় স্বীকার করেছেন। এই ধারা মেয়াদোত্তীর্ণ ভিসা সংক্রান্ত অপরাধের বিষয়টি নির্দেশ করে।

তিনি বলেন, “এরা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেছেন কারণ তারা দেশে ফিরে যেতে চান এবং বুঝতে পেরেছেন যে তারা অভিবাসন আইন লঙ্ঘন করেছেন।”

অভিবাসন দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে সর্বাধিক ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক—২৯ জন। এরপর বাংলাদেশি ১৯ জন এবং থাইল্যান্ডের ১৭ জন। বাকিদের মধ্যে ভারত, কম্বোডিয়া, ভিয়েতনাম, চীন, ফিলিপাইন, সুদান, নাইজেরিয়া, লাওস ও ইরাকের নাগরিকও রয়েছেন।

এছাড়া, রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিনজনকে আটক করা হয়েছে—তাদের মধ্যে দুইজন কম্বোডিয়ান ও একজন থাই নাগরিক। তারা ইমিগ্রেশন আইনের ধারা ১৫(১)(সি) ও ৫৫ই লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক হন। এসব ধারা অনুযায়ী অপরাধ হলো মেয়াদোত্তীর্ণ অবস্থান এবং অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয় প্রদান।

মোহাম্মদ ইউসুফ জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন অভিযানে ৪৯৩ জন অননুমোদিত বিদেশি আটক হয়েছেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ডের নাগরিকদের সংখ্যা বেশি।

তিনি আরও বলেন, “যারা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন, তাদের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করা সম্ভব হয় এবং নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা সহজ হয়।”

অভিবাসন কর্তৃপক্ষ সকল বিদেশিকে সতর্ক করে জানিয়েছে—যাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে বা যারা অভিবাসন আইন ভঙ্গ করেছেন, তারা যেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন।