ঢাকা ০৫:০৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সচিবালয়ে টানা পাঁচ দিনের বিক্ষোভ

‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
  • / 107

সচিবালয়ে টানা পাঁচ দিনের বিক্ষোভ

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে টানা পাঁচদিন ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন তারা। পরে নানা স্লোগানে সচিবালয় চত্বর প্রকম্পিত করে তোলেন আন্দোলনকারীরা।

এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। সংগঠনের কো–চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবির ও মো. নুরুল ইসলাম, কো–মহাসচিব নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলনকারীদের প্রধান স্লোগানগুলো ছিল: “আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই”, “লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে”, “মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন”, “জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে”, “ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান”।

গত ২৪ মে থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়। ২৫ মে রাতে সরকার “সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” জারি করে, যেখানে বলা হয়— চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা ছাড়াই কেবল কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে। এই ধারা কার্যকর হলে চাকরিজীবীরা বড় ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা।

ঈদের আগে ৩ জুন পর্যন্ত সচিবালয়ে লাগাতার বিক্ষোভ করেছে কর্মচারীরা। সরকারের সাতজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপিও দিয়েছে তারা। ১৫ জুনের মধ্যে অধ্যাদেশ বাতিল না করলে ১৬ জুন থেকে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দিয়েছিল নেতারা।

অধ্যাদেশটি পর্যালোচনার জন্য আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির প্রথম বৈঠক বসছে সোমবার। কমিটির সুপারিশ দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রাখার আহ্বান জানালেও মাঠে কর্মচারীরা এখনো সক্রিয় রয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সচিবালয়ে টানা পাঁচ দিনের বিক্ষোভ

‘মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন’

সর্বশেষ আপডেট ১২:৪৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে টানা পাঁচদিন ধরে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সচিবালয়ের ৪ নম্বর ভবনের সামনে জড়ো হয়ে অবস্থান নেন তারা। পরে নানা স্লোগানে সচিবালয় চত্বর প্রকম্পিত করে তোলেন আন্দোলনকারীরা।

এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম। সংগঠনের কো–চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবির ও মো. নুরুল ইসলাম, কো–মহাসচিব নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতারা বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন।

আন্দোলনকারীদের প্রধান স্লোগানগুলো ছিল: “আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই”, “লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে”, “মানি না মানবো না, ফ্যাসিবাদী কালো আইন”, “জেগেছে রে জেগেছে, সচিবালয় জেগেছে”, “ফ্যাসিবাদের দালালেরা, হুঁশিয়ার সাবধান”।

গত ২৪ মে থেকে এই আন্দোলন শুরু হয়। ২৫ মে রাতে সরকার “সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫” জারি করে, যেখানে বলা হয়— চার ধরনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিভাগীয় মামলা ছাড়াই কেবল কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে কর্মচারীদের চাকরিচ্যুত করা যাবে। এই ধারা কার্যকর হলে চাকরিজীবীরা বড় ধরনের নিরাপত্তাহীনতায় পড়বেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা।

ঈদের আগে ৩ জুন পর্যন্ত সচিবালয়ে লাগাতার বিক্ষোভ করেছে কর্মচারীরা। সরকারের সাতজন উপদেষ্টাকে স্মারকলিপিও দিয়েছে তারা। ১৫ জুনের মধ্যে অধ্যাদেশ বাতিল না করলে ১৬ জুন থেকে কঠোর কর্মসূচির হুমকি দিয়েছিল নেতারা।

অধ্যাদেশটি পর্যালোচনার জন্য আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটির প্রথম বৈঠক বসছে সোমবার। কমিটির সুপারিশ দেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত রাখার আহ্বান জানালেও মাঠে কর্মচারীরা এখনো সক্রিয় রয়েছেন।