ঢাকা ১০:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মহিপুরে পাওনা টাকার জেড়ে জেলেকে পিটিয়ে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুয়াকাটা (পটুয়াখালী)
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 267

কুয়াকাটায় পাওনা টাকার জেড়ে জেলেকে পিটিয়ে হত্যা

পটুয়াখালীর মহিপুরে পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেড়ে শহিদুল ফকির (৪০) নামের এক জেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আ.লীগ নেতার ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের পশ্চিম খাজুরা নামক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ফকির ওই গ্রামের আলী ফকিরের ছেলে।

নিহত শহিদুল ফকির একটি মাছ ধরার ট্রলারের মাঝি হিসাবে কাজ করেন বলে, জানা গেছে। তার ট্রলারের এক জেলের কাছে লতাচাপলী ইউনিয়ন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ফকিরের ছোট ভাই সোহেল ফকির (৩৫) নামের এক আ.লীগ নেতা মাত্র চব্বিশত টাকা পাওনা নিয়ে দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে ধাওয়া দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে ওই জেলের মৃত্যু ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করে।

নিহতের ছেলে সজল (১৯) জানায়, আমার বাবায় যে ট্রলারের মাঝি ওই একই ট্রলারের এক জেলের কাছে সোহেল ফকির মাত্র চব্বিশো টাকা পায়, সে এসে আমার বাবাকে গালাগালি করে। পরে আমি তাঁকে টাকা দিয়ে দেই, কিন্ত টাকা দেয়ার পরেও বাবা কেন বিএনপি করে তা বলে ধাওয়া দিয়ে মাথায় একটি ভারী কাঠ দিয়ে ঘাড় ও মাথায় আঘাত করে। সাথে সাথে হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রিয়াজ হোসেন বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, বিকেলে পাঁচটার দিকে শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির মাথায় আঘাত নিয়ে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। পরে আমরা পরিক্ষার মাধ্যমে তার মৃত্যু নিশ্চিত হই।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল ফকির একাধিক মামলার আসামী। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একটি টিম মাঠে কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মহিপুরে পাওনা টাকার জেড়ে জেলেকে পিটিয়ে হত্যা

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

পটুয়াখালীর মহিপুরে পাওনা টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেড়ে শহিদুল ফকির (৪০) নামের এক জেলেকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে আ.লীগ নেতার ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেল ৪টার দিকে মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নের পশ্চিম খাজুরা নামক গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শহিদুল ফকির ওই গ্রামের আলী ফকিরের ছেলে।

নিহত শহিদুল ফকির একটি মাছ ধরার ট্রলারের মাঝি হিসাবে কাজ করেন বলে, জানা গেছে। তার ট্রলারের এক জেলের কাছে লতাচাপলী ইউনিয়ন সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নজরুল ফকিরের ছোট ভাই সোহেল ফকির (৩৫) নামের এক আ.লীগ নেতা মাত্র চব্বিশত টাকা পাওনা নিয়ে দ্বন্দ্বের একপর্যায়ে ধাওয়া দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে ওই জেলের মৃত্যু ঘটে। পরে স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করে।

নিহতের ছেলে সজল (১৯) জানায়, আমার বাবায় যে ট্রলারের মাঝি ওই একই ট্রলারের এক জেলের কাছে সোহেল ফকির মাত্র চব্বিশো টাকা পায়, সে এসে আমার বাবাকে গালাগালি করে। পরে আমি তাঁকে টাকা দিয়ে দেই, কিন্ত টাকা দেয়ার পরেও বাবা কেন বিএনপি করে তা বলে ধাওয়া দিয়ে মাথায় একটি ভারী কাঠ দিয়ে ঘাড় ও মাথায় আঘাত করে। সাথে সাথে হাসপাতালে নিয়ে আসলে ডাক্তার তাঁকে মৃত্যু ঘোষণা করে।

এ বিষয়ে কুয়াকাটা ২০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার রিয়াজ হোসেন বাংলা অ্যাফেয়ার্সকে বলেন, বিকেলে পাঁচটার দিকে শহিদুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তির মাথায় আঘাত নিয়ে অচেতন অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্থানীয়রা। পরে আমরা পরিক্ষার মাধ্যমে তার মৃত্যু নিশ্চিত হই।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, তাৎক্ষণিক খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযুক্ত সোহেল ফকির একাধিক মামলার আসামী। তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একটি টিম মাঠে কাজ করছে।