ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু

মহাসড়কে ৩৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক, টাঙ্গাইল
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫
  • / 465

মহাসড়কে ৩৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজট

ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছে উত্তরের ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৩৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে যানজট। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ।

শুক্রবার (৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের সেতু থেকে করটিয়া করাতিপাড়া বাইপাস পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল আসতেই ঘণ্টার পথ ১০ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে যাত্রীদের। শত কষ্ট উপেক্ষা করেও বাসের ছাদ, খোলা ট্রাক কিংবা পিকআপভ্যানে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন তারা। অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, সেতুর উপর গাড়ি বিকলসহ বিভিন্ন কারণে বুধবার (৪ জুন) ভোর ৪টা থেকে শুরু হওয়া সেই যানজট শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা।

ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কে মানুষের ঢল নেমেছে। মহাসড়কে বাসের চেয়ে ট্রাক ও পিকআপভ্যানের উপস্থিতি বেশি। এ ছাড়া বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপ ও বাসের ছাদে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এ সড়ক দিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।

পুলিশ, চালক ও যাত্রীরা জানান, ২ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে ৮ ঘণ্টা। মহাসড়কে ফিটনেস বিহীন যানবাহন বিকল ও দুর্ঘটনার ফলে এ ভোগান্তি। অন্যদিকে যমুনা সেতুর ধারণক্ষমতা কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে গাড়ি পারাপার করতে পারছে না। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী গাড়িগুলো ভূঞাপুর দিয়ে ঘুরিয়ে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ শরীফ বলেন, মহাসড়কে একাধিক বাস বিকল হয়। সেনাবাহিনী-পুলিশ যৌথভাবে যানজট নিরসনে কাজ করছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই যানচলাচল স্বাভাবিক হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, যানজট নিরসন আমরা নিরসলভাবে কাজ করছি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু

মহাসড়কে ৩৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজট

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ জুন ২০২৫

ঈদযাত্রায় চরম ভোগান্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছে উত্তরের ঘরমুখো মানুষ। ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৩৫ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে যানজট। চরম ভোগান্তিতে পড়েছে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী মানুষ।

শুক্রবার (৬ জুন) বিকেল সাড়ে ৪ টা পর্যন্ত ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে এমন চিত্র দেখা গেছে।

জানা গেছে, ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের সেতু থেকে করটিয়া করাতিপাড়া বাইপাস পর্যন্ত ৩৫ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়েছে। ঢাকা থেকে টাঙ্গাইল আসতেই ঘণ্টার পথ ১০ ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে যাত্রীদের। শত কষ্ট উপেক্ষা করেও বাসের ছাদ, খোলা ট্রাক কিংবা পিকআপভ্যানে নাড়ির টানে বাড়ি ফিরছেন তারা। অতিরিক্ত গাড়ির চাপ, সেতুর উপর গাড়ি বিকলসহ বিভিন্ন কারণে বুধবার (৪ জুন) ভোর ৪টা থেকে শুরু হওয়া সেই যানজট শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে উত্তরবঙ্গের যাত্রীরা।

ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের এলেঙ্গা বাস স্টেশন, রাবনা বাইপাস, আশেকপুর বাইপাস ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কে মানুষের ঢল নেমেছে। মহাসড়কে বাসের চেয়ে ট্রাক ও পিকআপভ্যানের উপস্থিতি বেশি। এ ছাড়া বাড়তি ভাড়া দিতে হচ্ছে যাত্রীদের। গণপরিবহন সংকট ও অতিরিক্ত ভাড়ার কারণে অনেকেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খোলা ট্রাক-পিকআপ ও বাসের ছাদে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এ সড়ক দিয়ে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।

পুলিশ, চালক ও যাত্রীরা জানান, ২ ঘণ্টার রাস্তা পার হতে সময় লাগছে ৮ ঘণ্টা। মহাসড়কে ফিটনেস বিহীন যানবাহন বিকল ও দুর্ঘটনার ফলে এ ভোগান্তি। অন্যদিকে যমুনা সেতুর ধারণক্ষমতা কম থাকায় স্বাভাবিকভাবে গাড়ি পারাপার করতে পারছে না। ফলে উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী গাড়িগুলো ভূঞাপুর দিয়ে ঘুরিয়ে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে ফাঁড়ির ইনচার্জ শরীফ বলেন, মহাসড়কে একাধিক বাস বিকল হয়। সেনাবাহিনী-পুলিশ যৌথভাবে যানজট নিরসনে কাজ করছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যেই যানচলাচল স্বাভাবিক হবে।

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান বলেন, যানজট নিরসন আমরা নিরসলভাবে কাজ করছি।