ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মরজাল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র বন্ধ, ১ বছর যাবৎ অফিস করছেন টেকনোলজিস্ট

শফিকুল ইসলাম, রায়পুরা (নরসিংদী)
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 587

মরজাল ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। ছবি: প্রতিনিধি

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মরজাল ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণের প্রায় ২ বছরেও চালু হয়নি কোন কার্যক্রম। বন্ধ থাকা সত্বেও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুন প্রায় ১ বছর যাবৎ অযথা সরকারি বেতন- ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। নিয়োজিত নেই এমবিবিএস ডাক্তার,পরীক্ষা নিরীক্ষার যন্ত্রাংশ। এই কর্মচারীর কোন কাজ না থাকায় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রমিজ উদ্দিনের সাথে আড্ডা ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে তার অবসর সময় পার করছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রমিজ উদ্দিনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার গুঞ্জন উঠেছে।

এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নিয়োজিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শককে কয়েকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে কাউও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির এই সমস্যা দূরীকরণে এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুনের অন্যত্র বদলীর জন্য কয়েকবার জাতীয় দৈনিক অনলাইন “বাংলা আফের্য়াস” অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর দীর্ঘ প্রায় তিন মাস সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও কোনোভাবেই অদৃশ্য অপশক্তির কারণে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টনক নড়ছে না। স্থানীয় এলাকাবাসীরা আশাহত হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তাকর্তাদের প্রতি চরমভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে গেছেন।

স্থানীয়দের এই চরমক্ষোভের সাথে অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুরা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুনকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত বদলীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই বলে তিনি আবারও বদলীর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট সুপারিশ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

তাছাড়া তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে রায়পুরা উপজেলা মেডিকেল অফিসারের সাথে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা দরকার।

এ বিষয় জানতে চাইলে নরসিংদী জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শাহীদুজ্জামান জানান, বারবার জনকল্যাণমুখী সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার বিষয়ে আমি অবগত আছি। কয়েকদিন পূর্বে নরসিংদী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার মহোদয়ের মিটিংয়ে এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

তাছাড়া তিনি আরও জানান, সারা বাংলাদেশেই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে অধিদপ্তর থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে আমার পক্ষে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মরজাল মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র বন্ধ, ১ বছর যাবৎ অফিস করছেন টেকনোলজিস্ট

সর্বশেষ আপডেট ১২:১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায় মরজাল ১০ শয্যা বিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটি নির্মাণের প্রায় ২ বছরেও চালু হয়নি কোন কার্যক্রম। বন্ধ থাকা সত্বেও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুন প্রায় ১ বছর যাবৎ অযথা সরকারি বেতন- ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। নিয়োজিত নেই এমবিবিএস ডাক্তার,পরীক্ষা নিরীক্ষার যন্ত্রাংশ। এই কর্মচারীর কোন কাজ না থাকায় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রমিজ উদ্দিনের সাথে আড্ডা ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত থেকে তার অবসর সময় পার করছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক রমিজ উদ্দিনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার গুঞ্জন উঠেছে।

এ বিষয়ে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নিয়োজিত মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শককে কয়েকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করিলে কাউও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির এই সমস্যা দূরীকরণে এবং চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুনের অন্যত্র বদলীর জন্য কয়েকবার জাতীয় দৈনিক অনলাইন “বাংলা আফের্য়াস” অনলাইন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদ প্রকাশের পর দীর্ঘ প্রায় তিন মাস সময় অতিবাহিত হয়ে গেলেও কোনোভাবেই অদৃশ্য অপশক্তির কারণে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টনক নড়ছে না। স্থানীয় এলাকাবাসীরা আশাহত হয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তাকর্তাদের প্রতি চরমভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে গেছেন।

স্থানীয়দের এই চরমক্ষোভের সাথে অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে রায়পুরা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সাইদুর রহমান জানান, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রটির কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারণে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট আর্জিনা খাতুনকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত বদলীর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এই বলে তিনি আবারও বদলীর বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নিকট সুপারিশ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

তাছাড়া তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে রায়পুরা উপজেলা মেডিকেল অফিসারের সাথে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা দরকার।

এ বিষয় জানতে চাইলে নরসিংদী জেলা পরিবার পরিকল্পনা অফিসার শাহীদুজ্জামান জানান, বারবার জনকল্যাণমুখী সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার বিষয়ে আমি অবগত আছি। কয়েকদিন পূর্বে নরসিংদী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার মহোদয়ের মিটিংয়ে এই বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

তাছাড়া তিনি আরও জানান, সারা বাংলাদেশেই মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে অধিদপ্তর থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়। তবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা না নিলে আমার পক্ষে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়।