ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ময়মনসিংহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫
  • / 193

ময়মনসিংহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু

ময়মনসিংহের তারাকান্দা ও ফুলপুরে দুটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারাকান্দার রামচন্দ্রপুর এলাকায়। ময়মনসিংহ-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নারী ও এক শিশু নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন, যাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএনজিচালক মোহাম্মদ আলম মারা যান।

তারাকান্দায় নিহতরা হলেন—ধোবাউড়া উপজেলার জবেদা খাতুন (৮৫), ফুলপুর উপজেলার রাকিবুল হাসান (১৫) এবং সদর উপজেলার মোহাম্মদ আলম (৩৫)।

দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফুলপুর উপজেলার ইন্দারাপার মোড়ে। শ্যামলী বাংলা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন—চার পুরুষ ও এক নারী। আহত হন আরও আটজন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান।

ফুলপুরে নিহতদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া গেছে পাঁচজনের—ফরিদ মিয়া (৩৮), জহর আলী (৭০), হাসিনা খাতুন (৫০), শামসুদ্দিন (৬৫) এবং আজিম উদ্দিন (৩৫)।

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাদি জানান, নিহত সবাই মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন। ঘটনার পর আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ময়মনসিংহে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ জনের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২১ জুন ২০২৫

ময়মনসিংহের তারাকান্দা ও ফুলপুরে দুটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১১ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন।

প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যা ৬টার দিকে তারাকান্দার রামচন্দ্রপুর এলাকায়। ময়মনসিংহ-শেরপুর আঞ্চলিক সড়কে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নারী ও এক শিশু নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন, যাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিএনজিচালক মোহাম্মদ আলম মারা যান।

তারাকান্দায় নিহতরা হলেন—ধোবাউড়া উপজেলার জবেদা খাতুন (৮৫), ফুলপুর উপজেলার রাকিবুল হাসান (১৫) এবং সদর উপজেলার মোহাম্মদ আলম (৩৫)।

দ্বিতীয় দুর্ঘটনাটি ঘটে রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফুলপুর উপজেলার ইন্দারাপার মোড়ে। শ্যামলী বাংলা পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে একটি মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই পাঁচজন নিহত হন—চার পুরুষ ও এক নারী। আহত হন আরও আটজন। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজন মারা যান।

ফুলপুরে নিহতদের মধ্যে পরিচয় পাওয়া গেছে পাঁচজনের—ফরিদ মিয়া (৩৮), জহর আলী (৭০), হাসিনা খাতুন (৫০), শামসুদ্দিন (৬৫) এবং আজিম উদ্দিন (৩৫)।

দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ জনতা বাসটিতে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ফুলপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হাদি জানান, নিহত সবাই মাহিন্দ্রার যাত্রী ছিলেন। ঘটনার পর আইনি প্রক্রিয়া চলছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।