মমতাজের পর এবার আদালতে জুতা হারালেন তৌহিদ আফ্রিদি
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৫
- / 92
জুলাই আন্দোলনের সময় হত্যায় উৎসাহ প্রদান ও অর্থদানের অভিযোগে গ্রেপ্তার সাবেক এমপি ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের পর এবার আদালতে তৌহিদ আফ্রিদি তার জুতা হারান। প্রচণ্ড ভিড়ে তিনি খালি পায়ে আদালত ছাড়েন।
সোমবার (২৫ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হক তৌহিদ আফ্রিদিকে যাত্রাবাড়ী থানার মো. আসাদুল হক বাবু হত্যা মামলায় ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তৌহিদ আফ্রিদিকে বেলা ২টা ২৫ মিনিটে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হয়। এ সময় তাকে হাজতখানায় রাখা হয়। শুনানির জন্য আদালতে নেওয়া হলে প্রচণ্ড ভিড়ে তিনি হিমশিম খান। পুলিশি নিরাপত্তা সত্ত্বেও হট্টগোলের কারণে তাকে ধাক্কাধাক্কি সামলাতে হয়।
আদালতের সপ্তম তলায় যাওয়ার সময় সিঁড়িতে বারবার পড়ে যান আফ্রিদি। পুলিশ তার মাথার হেলমেট, বুকের জ্যাকেট ও হাতকড়া খুলে পানিও খাওয়ান। ভিড়ের মধ্যে খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায় তাকে। এজলাসে উঠার পরও কক্ষ আইনজীবী ও দর্শকের ভিড়ে ভরে যায় এবং হট্টগোল শুরু হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পুলিশ পরিদর্শক খান মো. এরফান তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করেন। আসামি পক্ষের আইনজীবী রিমান্ড বাতিল ও জামিনের জন্য আবেদন করেন, উল্লেখ করেন যে আফ্রিদির কিডনিতে জটিলতা রয়েছে এবং তার স্ত্রী গর্ভবতী।
বাদীর পক্ষে শামসুদ্দোহা সুমন ও অন্যান্যরা রিমান্ডের পক্ষে শুনানি করেন। তারা বলেন, আফ্রিদি লাইভে এসে আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগকে হত্যাকাণ্ডে উৎসাহ দিয়েছেন। তাকে রিমান্ডে নিয়ে জানা যাবে কারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত, কারা অর্থদাতা ও অস্ত্রদাতা।
আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে আফ্রিদির পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। হাজতখানায় ফেরার পথে তার পা খালি এবং জুতা ভিড়ে হারিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় জানা গেছে, গত বছরের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় মো. আসাদুল হক বাবু আন্দোলনে অংশ নেন এবং আন্দোলনকারীদের ছোড়া গুলিতে নিহত হন। এরপর ৩০ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৫ জনকে আসামি করা হয়। নাসির উদ্দিন সাথীর ছেলে তৌহিদ আফ্রিদি ১১ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
































