ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘মব সন্ত্রাসে’ ৭ মাসে নিহত ১১১: আসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 116

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে গত সাত মাসে ‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়ে ১১১ জন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে ৯ আগস্ট রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভ্যান চোর সন্দেহে পিটিয়ে দুইজনকে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানায় আসক।

সংস্থাটি মনে করে, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত সুরক্ষা ও জীবন রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যা এ ঘটনায় গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেও এ ধরনের ঘটনা জীবন ও নিরাপত্তার অধিকারের গুরুতর হানিকর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটছে, যা দেশের নাগরিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছে। বিচারহীনতার এ সংস্কৃতি সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনের শাসনের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আসক দাবি করেছে, যেকোনো সংঘবদ্ধ প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দায়মুক্তি না দিয়ে শনাক্ত করে কঠোরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘মব সন্ত্রাসে’ ৭ মাসে নিহত ১১১: আসক

সর্বশেষ আপডেট ১০:০০:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে গত সাত মাসে ‘মব সন্ত্রাসের’ শিকার হয়ে ১১১ জন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)।

সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায় সংস্থাটি।

বিজ্ঞপ্তিতে ৯ আগস্ট রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় ভ্যান চোর সন্দেহে পিটিয়ে দুইজনকে হত্যার ঘটনায় উদ্বেগ ও নিন্দা জানায় আসক।

সংস্থাটি মনে করে, আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে হত্যা করা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংবিধানের ৩১ ও ৩২ অনুচ্ছেদে প্রত্যেক নাগরিকের আইনগত সুরক্ষা ও জীবন রক্ষার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে, যা এ ঘটনায় গুরুতরভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনেও এ ধরনের ঘটনা জীবন ও নিরাপত্তার অধিকারের গুরুতর হানিকর।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে ঘটছে, যা দেশের নাগরিকদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করেছে। বিচারহীনতার এ সংস্কৃতি সামাজিক সম্প্রীতি ও আইনের শাসনের জন্য গুরুতর হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আসক দাবি করেছে, যেকোনো সংঘবদ্ধ প্ররোচনামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে দায়মুক্তি না দিয়ে শনাক্ত করে কঠোরভাবে জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে।