সারজিসকে সেনা কর্মকর্তা
ভ্যান্ডালিজম-মবের সুযোগ নেই এখন
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ জুন ২০২৫
- / 172
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও বিএনপির নেতাদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সেনাবাহিনী। খবর পেয়ে ওই সময় সেখানে ছুটে যান জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম। তিনি সেনাবাহিনীর ৭২ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুমের সঙ্গে কথা বলেন।
এ সময় ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হুমায়ুন কাইয়ুম সারজিস আলমকে বলেন, “শরীরে যতক্ষণ রক্ত আছে, উই আর নট গোয়িং টু প্রমোট এনিওয়ান হু ইজ অ্যাগেইনস্ট দ্য কান্ট্রি। আপাতত স্ট্যান্ডিং হলো, যে জনগণের অসুবিধা করে, ভ্যান্ডালিজম করে, মবের নামে যে আগুন লাগায়, ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে—এই পার্টিকে বার্তা দেওয়া যে, না, এইটা করার সুযোগ নেই এখন।”
জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের রংপুর সেনপাড়া এলাকার ‘দ্য স্কাই ভিউ’ বাসভবনে গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরপরই পাল্টাপাল্টি অবস্থান নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা। তাদের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনাও ঘটে। ঘটনার সময় জি এম কাদের নিজেই বাসভবনে অবস্থান করছিলেন।
এ ঘটনার জেরে শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রংপুর নগরীর পায়রা চত্বর মোড়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জেলা ও মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ইমরান আহমেদ ও ইমতিয়াজ আহমেদ ইমতিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সেনাবাহিনীর ৭২ পদাতিক ব্রিগেডের কমান্ডার।
খবর পেয়ে বৃষ্টির মধ্যেই সেখানে পৌঁছান এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। পরে রাত ২টার দিকে তারা সেখান থেকে ফিরে যান। এ সময় স্থানীয় বিএনপি নেতাদেরও সেনাবাহিনী জিজ্ঞাসাবাদ করে।
সেনাবাহিনীর সঙ্গে আলাপ শেষে সারজিস আলম সাংবাদিকদের বলেন, “তদন্তের জন্য বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হোক, বিএনপি, জামায়াত, এনসিপির যে কেউ হোক—জিজ্ঞাসাবাদ করা অবশ্যই প্রয়োজন। আমরা মনে করি, রাত ১টা বা ২টা—এই সময়টি একটু দৃষ্টিকটু। আমরা প্রত্যাশা করি, দিনের বেলায় অফিস আওয়ারে ডেকে নেওয়া হোক। সবাই প্রস্তুত থাকবে এ বিষয়ে সহযোগিতা করতে।”
































