রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইলেকটোরাল কলেজব্যবস্থা
ভোটধিকার হরণে আরেকটি ছলচাতুরী: বিএনপি
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৫:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
- / 132
বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রস্তাবিত ইলেকটোরাল কলেজব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ একে জনগণের ভোটাধিকার হরণে “আরেকটি ছলচাতুরী” হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
বুধবার (১৮ জুন) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির পক্ষ থেকে এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় প্রায় ৭০ হাজার ভোটার—ইউনিয়ন থেকে শুরু করে স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধি—রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবেন। কিন্তু বিএনপি মনে করে, এই প্রক্রিয়া জনগণের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে আরও দূরে সরিয়ে দেবে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি জাতীয় সাংবিধানিক কাউন্সিল (এনসিসি) গঠনের প্রস্তাবেও একমত নয়। কারণ এটি জবাবদিহিশূন্য এবং ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতার ঝুঁকি তৈরি করে।
স্বাধীন বিচারব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব দিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, “স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারলে ফ্যাসিবাদ দমন হবে, ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা হবে। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য না থাকলে দেশে গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।”
তিনি বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করতে “ন্যায়পাল” বা ওম্বাডসম্যান প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), মানবাধিকার কমিশনের মতো সংস্থাগুলোকে আরও শক্তিশালী করতে হলে সংশ্লিষ্ট আইনগুলোতে সংস্কার প্রয়োজন।
বিএনপির মতে, নির্বাচন কমিশন আইনেরও পুনর্বিবেচনা দরকার, যাতে জবাবদিহি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা যায়। দলটি মনে করে, যদি দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন করা হয়, তাহলে সেখান থেকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিষয়টি ভাবা যেতে পারে—তবে তা হতে হবে জনআস্থাভিত্তিক ও প্রতিনিধিত্বশীল পদ্ধতির মাধ্যমে।
































