ঢাকা ০৮:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোটকেন্দ্রে কালো টাকার খেলা হতে দেব না

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫
  • / 131

ভোটকেন্দ্রে কালো টাকার খেলা হতে দেব না

রংপুরে বিভাগীয় সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “ভোটকেন্দ্রে কোনো কালো টাকার খেলা খেলতে দেব না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কার চাই।” শুক্রবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আমলের নির্বাচন আর বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। জনগণের রক্তে প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রকে ধ্বংসের যেকোনো চেষ্টাকে প্রতিহত করা হবে। প্রশাসনিক ক্যু বা কারসাজির কোনো সুযোগ নেই।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে নিজের অনুগতদের বসিয়েছিলেন, কিন্তু গণবিস্ফোরণের সামনে তা ঠেকানো যায়নি।”

সমাবেশে তিনি জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের ন্যায়বিচার দাবি করেন। বলেন, “এদের চিকিৎসা পর্যন্ত আমরা দিতে পারিনি। বিচার না হলে বাংলাদেশ অবিচারের জঙ্গলে পরিণত হবে।”

এদিন দলের ৩৩টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে জামায়াত। মঞ্চে ছিলেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরাও। শহীদের ভাই রমজান আলী বলেন, “আমার ভাইকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তার বিচার চাই। শুধু গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বিদেশে থাকা আসামিদের ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে।”

এ বিভাগীয় সমাবেশে জামায়াতের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদসহ সমমনা বিভিন্ন দলের নেতারা একমঞ্চে ছিলেন। বক্তারা কার্যকর ইসলামপন্থী জোট গঠনের আহ্বান জানান এবং একতরফা নির্বাচনের বিরোধিতার ঘোষণা দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভোটকেন্দ্রে কালো টাকার খেলা হতে দেব না

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩১:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

রংপুরে বিভাগীয় সমাবেশে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, “ভোটকেন্দ্রে কোনো কালো টাকার খেলা খেলতে দেব না। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কার চাই।” শুক্রবার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, “আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আমলের নির্বাচন আর বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। জনগণের রক্তে প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রকে ধ্বংসের যেকোনো চেষ্টাকে প্রতিহত করা হবে। প্রশাসনিক ক্যু বা কারসাজির কোনো সুযোগ নেই।”

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আগামী নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র চলছে। শেখ হাসিনা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলোতে নিজের অনুগতদের বসিয়েছিলেন, কিন্তু গণবিস্ফোরণের সামনে তা ঠেকানো যায়নি।”

সমাবেশে তিনি জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের ন্যায়বিচার দাবি করেন। বলেন, “এদের চিকিৎসা পর্যন্ত আমরা দিতে পারিনি। বিচার না হলে বাংলাদেশ অবিচারের জঙ্গলে পরিণত হবে।”

এদিন দলের ৩৩টি আসনের প্রার্থী ঘোষণা করে জামায়াত। মঞ্চে ছিলেন শহীদ আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যরাও। শহীদের ভাই রমজান আলী বলেন, “আমার ভাইকে যেভাবে হত্যা করা হয়েছে, তার বিচার চাই। শুধু গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নয়, বিদেশে থাকা আসামিদের ফিরিয়ে এনে বিচার করতে হবে।”

এ বিভাগীয় সমাবেশে জামায়াতের পাশাপাশি ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, এনসিপি, গণঅধিকার পরিষদসহ সমমনা বিভিন্ন দলের নেতারা একমঞ্চে ছিলেন। বক্তারা কার্যকর ইসলামপন্থী জোট গঠনের আহ্বান জানান এবং একতরফা নির্বাচনের বিরোধিতার ঘোষণা দেন।