ঢাকা ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫
  • / 101

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। যদিও দেশটির আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে ওয়াশিংটন সম্ভবত কারাকাসে সরকার পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় সাগরে নৌবাহিনীর আটটি জাহাজ মোতায়েন করেছে। পুয়ের্তো রিকোতে পাঠানো হয়েছে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। এছাড়া অঞ্চলটির দিকে রওনা দিয়েছে একটি বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ। ওয়াশিংটনের দাবি, এই বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েনের লক্ষ্য সরকার পরিবর্তন নয়, বরং মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ।

প্রেসিডেন্টকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা একজন সাংবাদিক জানতে চান, ‘আপনি কি ভেনেজুয়েলায় হামলার কথা ভাবছেন?’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না’। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একই বার্তা দিয়েছেন।

মিয়ামি হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের বাহিনী ভেনেজুয়েলাকে লক্ষ্য করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ বিষয়ে রুবিও এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনার তথাকথিত ‘সূত্র’ আপনাকে ভুয়া খবর লিখতে বাধ্য করেছে।’

গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে কথিত মাদক চোরাচালানে জড়িত নৌযান লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। ওই অভিযানে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন, ধ্বংস হয়েছে ১৪টি নৌযান ও একটি আধা-ডুবোজাহাজ।

ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ছোট নৌযান জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং মাদক চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযানের ধরন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমতুল্য, এমনকি লক্ষ্যবস্তু সত্যিই মাদক পাচারকারী হলেও।

এদিকে অঞ্চলটিতে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বি-৫২ ও বি-১বি মডেলের বোমারু বিমান ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে চক্কর দিয়েছে। সর্বশেষ সোমবার সেসব বিমানকে উড়তে দেখা গেছে। হামলা এবং সামরিক শক্তি বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংটন তার সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে এবং ‘কৃত্রিম যুদ্ধ পরিস্থিতি’ তৈরি করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলার পরিকল্পনা নেই: ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৩:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলায় হামলা চালানোর কোনো পরিকল্পনা নেই। যদিও দেশটির আশপাশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে যে ওয়াশিংটন সম্ভবত কারাকাসে সরকার পরিবর্তনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় সাগরে নৌবাহিনীর আটটি জাহাজ মোতায়েন করেছে। পুয়ের্তো রিকোতে পাঠানো হয়েছে রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান। এছাড়া অঞ্চলটির দিকে রওনা দিয়েছে একটি বিমানবাহী রণতরীর স্ট্রাইক গ্রুপ। ওয়াশিংটনের দাবি, এই বিপুল সামরিক শক্তি মোতায়েনের লক্ষ্য সরকার পরিবর্তন নয়, বরং মাদক চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ।

প্রেসিডেন্টকে বহনকারী এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা একজন সাংবাদিক জানতে চান, ‘আপনি কি ভেনেজুয়েলায় হামলার কথা ভাবছেন?’ জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘না’। ট্রাম্পের এই মন্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একই বার্তা দিয়েছেন।

মিয়ামি হেরাল্ডের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ওয়াশিংটনের বাহিনী ভেনেজুয়েলাকে লক্ষ্য করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ বিষয়ে রুবিও এক পোস্টে লিখেছেন, ‘আপনার তথাকথিত ‘সূত্র’ আপনাকে ভুয়া খবর লিখতে বাধ্য করেছে।’

গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চল ও পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে কথিত মাদক চোরাচালানে জড়িত নৌযান লক্ষ্য করে অভিযান চালায়। ওই অভিযানে অন্তত ৬২ জন নিহত হয়েছেন, ধ্বংস হয়েছে ১৪টি নৌযান ও একটি আধা-ডুবোজাহাজ।

ওয়াশিংটনের দাবি, এসব ছোট নৌযান জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং মাদক চোরাচালানের সঙ্গে যুক্ত। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, অভিযানের ধরন বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের সমতুল্য, এমনকি লক্ষ্যবস্তু সত্যিই মাদক পাচারকারী হলেও।

এদিকে অঞ্চলটিতে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র বি-৫২ ও বি-১বি মডেলের বোমারু বিমান ভেনেজুয়েলার উপকূলের কাছে চক্কর দিয়েছে। সর্বশেষ সোমবার সেসব বিমানকে উড়তে দেখা গেছে। হামলা এবং সামরিক শক্তি বৃদ্ধির ফলে আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়েছে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো অভিযোগ করেছেন, ওয়াশিংটন তার সরকার উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে এবং ‘কৃত্রিম যুদ্ধ পরিস্থিতি’ তৈরি করছে।