ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে ৮ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 92

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বড় হুজুর বাড়ি দারুল নাজাত মহিলা মাদ্রাসায় বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আট শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, আর তিনজনকে জরুরি বিভাগে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

ঘটনা ঘটেছে বিকেল পৌনে চারটার দিকে। বিস্ফোরণের পরে দগ্ধ শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে রাতেই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধদের নাম ও বয়স হলো: সাদিয়া আক্তার (১২), রুবাইয়া (৯), আয়মান (৬), নুসরাত (১০), আলিয়া (৩০), তুইবা (৬), রওজা (১৩) ও আফরিন (১৩)।

আফরিনের মামা মো. আনোয়ার জানান, বিস্ফোরণটি মাদ্রাসার পাশে ট্রান্সফর্মার থেকে ঘটে। এ সময় চতুর্থ তলায় পড়াশোনা করছিল শিক্ষার্থীরা। আগুনের ফুলকি মাদ্রাসার ভিতরে প্রবেশ করলে দগ্ধ হয় তারা।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বৃহস্পতিবার জানান, সাদিয়ার ১৩ শতাংশ, রুবাইয়ার ৫ শতাংশ, আয়মানের ২ শতাংশ, নুসরাতের ৩ শতাংশ, তুইবার ৩ শতাংশ, রওজার ৩ শতাংশ, আলিয়ার ১৪ শতাংশ ও আফরিন ৫ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে। বাকি তিনজনকে জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণে ৮ মাদ্রাসা শিক্ষার্থী দগ্ধ

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৮:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বড় হুজুর বাড়ি দারুল নাজাত মহিলা মাদ্রাসায় বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ট্রান্সফর্মার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে আট শিক্ষার্থী দগ্ধ হয়েছেন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, আর তিনজনকে জরুরি বিভাগে অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

ঘটনা ঘটেছে বিকেল পৌনে চারটার দিকে। বিস্ফোরণের পরে দগ্ধ শিক্ষার্থীদের দ্রুত উদ্ধার করে রাতেই জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

দগ্ধদের নাম ও বয়স হলো: সাদিয়া আক্তার (১২), রুবাইয়া (৯), আয়মান (৬), নুসরাত (১০), আলিয়া (৩০), তুইবা (৬), রওজা (১৩) ও আফরিন (১৩)।

আফরিনের মামা মো. আনোয়ার জানান, বিস্ফোরণটি মাদ্রাসার পাশে ট্রান্সফর্মার থেকে ঘটে। এ সময় চতুর্থ তলায় পড়াশোনা করছিল শিক্ষার্থীরা। আগুনের ফুলকি মাদ্রাসার ভিতরে প্রবেশ করলে দগ্ধ হয় তারা।

জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বৃহস্পতিবার জানান, সাদিয়ার ১৩ শতাংশ, রুবাইয়ার ৫ শতাংশ, আয়মানের ২ শতাংশ, নুসরাতের ৩ শতাংশ, তুইবার ৩ শতাংশ, রওজার ৩ শতাংশ, আলিয়ার ১৪ শতাংশ ও আফরিন ৫ শতাংশ শরীর দগ্ধ হয়েছে। বাকি তিনজনকে জরুরি বিভাগে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।