ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বোরখা পরে সালমান শাহর বাড়িতে কারা এসেছিল?

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫
  • / 148

সালমান শাহ

অভিনয়, সহজাত আবেগ ও পর্দায় রোমান্টিক অনুভূতির জন্য তিনি আজও ভক্তদের মনে অমর। চলচ্চিত্রে সমান জনপ্রিয়তা ধরে রাখা, নতুন ধারা সৃষ্টি করা—সব মিলিয়ে সালমান শাহ ছিলেন এক যুগান্তকারী নায়ক, যার স্মৃতি এখনো দর্শক ও সহকর্মীদের অন্তরে জীবন্ত। মাত্র চার বছরের অভিনয়জীবনে ঢালিউডে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন সালমান শাহ।

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নীলা চৌধুরী। সব সময় তিনি বলে আসছেন, তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এটি নির্মম হত্যাকাণ্ড; সালমান আত্মহত্যা করতে পারেন না।

নীলা চৌধুরী বলেন, “আমরা খবর পাই আমার ছেলে অসুস্থ। কিন্তু আমরা যাওয়ার পর বাসায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো হয়েছিল।”

এরপর তিনি কয়েকটি প্রশ্ন করে বলেন, “সামিরার মা ৫ সেপ্টেম্বর কেন ঢাকা এসেছিল? বোরখা পরে ইমনের (সালমান শাহের ডাক নাম) বিল্ডিংয়ে মৃত্যুর একদিন আগে একটি গাড়ি আসে, সেই গাড়িতে কারা ছিল? আমরা পরে শুনেছি। এগুলো তদন্ত করলে সব বের হয়ে আসবে।”

নায়কের মা আরও বলেন, “আমার ছেলের সাদা কাপড়ে রক্তের দাগ ছিল। কিন্তু গলায় কোনো দাগ ছিল না। পোস্টমর্টেমের বাহানা করে আমার ছেলের পার্টস কেটে নেওয়া হয়।”

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে রহস্যজনক মৃত্যু হয় ঢালিউড চিত্রনায়ক সালমান শাহের। এতদিন এই মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলে উল্লেখ করেছে একাধিক তদন্ত কমিটি। তবে সব তদন্তেই এড়িয়ে চলা হয়েছে সত্যকে। যার কারণে দীর্ঘ ২৯ বছর পর অভিনেতা সালমান শাহের অপমৃত্যু মামলা রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামি হলেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, নায়কের সাবেক শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বোরখা পরে সালমান শাহর বাড়িতে কারা এসেছিল?

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫

অভিনয়, সহজাত আবেগ ও পর্দায় রোমান্টিক অনুভূতির জন্য তিনি আজও ভক্তদের মনে অমর। চলচ্চিত্রে সমান জনপ্রিয়তা ধরে রাখা, নতুন ধারা সৃষ্টি করা—সব মিলিয়ে সালমান শাহ ছিলেন এক যুগান্তকারী নায়ক, যার স্মৃতি এখনো দর্শক ও সহকর্মীদের অন্তরে জীবন্ত। মাত্র চার বছরের অভিনয়জীবনে ঢালিউডে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছিলেন সালমান শাহ।

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন নীলা চৌধুরী। সব সময় তিনি বলে আসছেন, তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে। এটি নির্মম হত্যাকাণ্ড; সালমান আত্মহত্যা করতে পারেন না।

নীলা চৌধুরী বলেন, “আমরা খবর পাই আমার ছেলে অসুস্থ। কিন্তু আমরা যাওয়ার পর বাসায় ঢুকতে দেয়া হয়নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করানো হয়েছিল।”

এরপর তিনি কয়েকটি প্রশ্ন করে বলেন, “সামিরার মা ৫ সেপ্টেম্বর কেন ঢাকা এসেছিল? বোরখা পরে ইমনের (সালমান শাহের ডাক নাম) বিল্ডিংয়ে মৃত্যুর একদিন আগে একটি গাড়ি আসে, সেই গাড়িতে কারা ছিল? আমরা পরে শুনেছি। এগুলো তদন্ত করলে সব বের হয়ে আসবে।”

নায়কের মা আরও বলেন, “আমার ছেলের সাদা কাপড়ে রক্তের দাগ ছিল। কিন্তু গলায় কোনো দাগ ছিল না। পোস্টমর্টেমের বাহানা করে আমার ছেলের পার্টস কেটে নেওয়া হয়।”

১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মাত্র ২৫ বছর বয়সে রহস্যজনক মৃত্যু হয় ঢালিউড চিত্রনায়ক সালমান শাহের। এতদিন এই মৃত্যুকে অপমৃত্যু বলে উল্লেখ করেছে একাধিক তদন্ত কমিটি। তবে সব তদন্তেই এড়িয়ে চলা হয়েছে সত্যকে। যার কারণে দীর্ঘ ২৯ বছর পর অভিনেতা সালমান শাহের অপমৃত্যু মামলা রূপ নিয়েছে হত্যা মামলায়।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় সর্বমোট ১১ জনকে আসামি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। হত্যা মামলায় প্রধান আসামি নায়কের সাবেক স্ত্রী সামিরা হক। অন্য ১০ আসামি হলেন—প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই, খলনায়ক ডন, নায়কের সাবেক শাশুড়ি লতিফা হক লুসি, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, মেফিয়ার বিউটি সেন্টারের রুবি, আবদুস সাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ফরহাদ।