ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেয়াদবিতে সেরা আমির হামজা: তাহেরী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 113

বেয়াদবিতে সেরা আমির হামজা: তাহেরি

আলোচিত ইসলামি বক্তা ও জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মুফতি আমির হামজা সম্প্রতি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাসুল মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহ তায়ালা নবী হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “নবী মানে সংবাদবাহক। সেই হিসেবে নবীজি সাংবাদিক ছিলেন।”

এই মন্তব্যের পর ইসলামি বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী তাকে ‘বেয়াদবিতে সেরা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতেই তাহেরি তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। এক দিন পরই দেখলাম মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর বেয়াদবিমূলক বক্তব্য দিল। সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা।’

এর আগে তাহেরি আরেকটি পোস্টে আমির হামজাকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আল্লাহ হাবীব (দ:) নাকি সাংবাদিক ছিলেন! নাউজুবিল্লাহ। মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার বাণী অনুযায়ী তার সিট কোথায় বরাদ্দ করা যেতে পারে?’

তাহেরির এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকে তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন বেয়াদবি শোভা পায় না।’ আবার কেউ কেউ এটিকে ধর্মীয় বক্তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের নতুন রূপ হিসেবে দেখছেন।

এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, আমরা যাকে নেতা হিসেবে মানি তিনি মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সা.)। আল্লাহ যাকে নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন, তার শাব্দিক অর্থ সংবাদবাহক। যারা সংবাদ বহন করেন তাদের আমরা সাংবাদিক বলি। এ অর্থে নবীজি (সা.) সাংবাদিক ছিলেন।

মুফতি আমির হামজার এই বিতর্কিত মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করে। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেশের সক্রিয় ধর্মীয় বক্তাদের সংযম ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হলেও, এই নির্দেশনার পরদিনই তার এই মন্তব্য ভাইরাল হয়।

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, কিছু বক্তার অসংযত বক্তব্যের কারণে ধর্মীয় সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা বাড়ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বেয়াদবিতে সেরা আমির হামজা: তাহেরী

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

আলোচিত ইসলামি বক্তা ও জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়া-৩ আসনের এমপি প্রার্থী মুফতি আমির হামজা সম্প্রতি সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, রাসুল মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহ তায়ালা নবী হিসেবে পাঠিয়েছিলেন। তিনি বলেন, “নবী মানে সংবাদবাহক। সেই হিসেবে নবীজি সাংবাদিক ছিলেন।”

এই মন্তব্যের পর ইসলামি বক্তা গিয়াস উদ্দিন তাহেরী তাকে ‘বেয়াদবিতে সেরা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। বুধবার (৮ অক্টোবর) রাতেই তাহেরি তার ফেসবুক পোস্টে লেখেন, ‘গতকাল দেখলাম আমিরে জামায়াত বক্তব্যের ব্যাপারে সতর্ক করলেন। এক দিন পরই দেখলাম মিথ্যাবাদী আমির হামজা অবান্তর বেয়াদবিমূলক বক্তব্য দিল। সে আসলেই বেয়াদবিতে সেরা।’

এর আগে তাহেরি আরেকটি পোস্টে আমির হামজাকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘আল্লাহ হাবীব (দ:) নাকি সাংবাদিক ছিলেন! নাউজুবিল্লাহ। মানসিক ভারসাম্যহীন বিকারগ্রস্ত মিথ্যাবাদী আমির হামজার বাণী অনুযায়ী তার সিট কোথায় বরাদ্দ করা যেতে পারে?’

তাহেরির এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। অনেকে তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত প্রকাশ করেন এবং বলেন, ‘ধর্মীয় বক্তাদের মুখে এমন বেয়াদবি শোভা পায় না।’ আবার কেউ কেউ এটিকে ধর্মীয় বক্তাদের পারস্পরিক দ্বন্দ্বের নতুন রূপ হিসেবে দেখছেন।

এর আগে বুধবার বেলা ১১টায় মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়ার স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বলেন, আমরা যাকে নেতা হিসেবে মানি তিনি মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সা.)। আল্লাহ যাকে নবী হিসেবে পাঠিয়েছেন, তার শাব্দিক অর্থ সংবাদবাহক। যারা সংবাদ বহন করেন তাদের আমরা সাংবাদিক বলি। এ অর্থে নবীজি (সা.) সাংবাদিক ছিলেন।

মুফতি আমির হামজার এই বিতর্কিত মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি করে। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে দেশের সক্রিয় ধর্মীয় বক্তাদের সংযম ও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হলেও, এই নির্দেশনার পরদিনই তার এই মন্তব্য ভাইরাল হয়।

ধর্মীয় বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, কিছু বক্তার অসংযত বক্তব্যের কারণে ধর্মীয় সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা বাড়ছে।