বৃষ্টি সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪৭:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
- / 260
বৃষ্টি হলেই আমাদের মধ্যে একটা আনমনা ভাব চলে আসে। কোন কিছুতেই মন বসে না। শরীরে ভর করে অলসতা। এমন দিনে ঘরে বসে থাকা ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না। কিন্তু এতো সমস্যার পরও বৃষ্টি ছাড়া আমাদের জিবন অচল চলুন জেনে নেই বৃষ্টি নিয়ে কিছু অজানা তথ্য। যা পাঠকের জন্য তুলে ধরেছেন বাংলা অ্যাফেয়ার্স’র প্রতিবেদক সাকিব আল হাসান।
বৃষ্টির গ্রাণের রহস্য : যারা গ্রামে থাকেন বা গিয়েছেন তারা বৃষ্টির পর মাটি থেকে এক ধরনের গ্রান পেয়েছেন নিশ্চয়।এই পার্থিব গন্ধটি মূলত জিওসমিন নামক একটি রাসায়নিক যেীগ যা মাটিতে থাকা ব্যকটেরিয়া ও উদ্ভিদের তেল মিশে মিশে তৈরী হয়। বৃষ্টি থেমে গেলে আমরা যে গ্রাণ পাই তাকে পেট্রিকর (Petrichor) বলা হয়।
বৃষ্টির ফোটা : আমরা সবাই মনে করি বৃষ্টির ফোটা গোল কিংবা চোখের আকৃতির। কিন্তু আসলে তা নয় বাস্তবে বৃষ্টির ফোটাগুলো বাতাসের চাপে চ্যাপ্টা বার্গারের রুটির আকৃতির হয়ে থাকে।
পৃথিবীর সবচেয়ে বৃষ্টিময় স্থান : ভারতের মেঘালয়ের মেীসিনরামে বছরে গড়ে ১১,৮৭১ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। যেখানে বাংলাদেশে বছরে গড়ে ২,০০০-৩,০০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়।
রংধনু ও বৃষ্টি : আপনি জানেন কি বৃষ্টি ছাড়া রংধনু দেখা অসম্ভব, কারণ বৃষ্টির ফোঁটা সূর্যের আলোকে প্রতিফলিত ও প্রতিসরন হয়ে রংধনু তৈরি হয়।
প্রাণীর বৃষ্টি : ১৮৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বৃষ্টির সাথে আকাশ থেকে মাছ পড়েছিলো! মূলত ঘুর্ণিঝর বা টর্নেডো হলে পানি বা মাটি থেকে ছোট মাছ বা অন্য কোন প্রাণী আকাশে উঠে যায় , যা পরবর্তিতে বৃষ্টির সাথে মাটিতে পড়ে।
ভিরগা : মরুভুমিতে মাঝে মাঝে বৃষ্টি হলেও মাটিতে পরার আগেই বাষ্প হয়ে যায়। এই ধরনের বৃষ্টিকে ভিরগা বলা হয়।
বৃষ্টির শব্দের উপকারিতা : বৃষ্টির শব্দকে হোয়াইট নয়েজ বলা হয়, যা মানুষের মস্তিষ্ককে শান্ত করে যার ফলে ভালো ঘুম হয়। তাই অনেকে যোগ ব্যয়াম এবং ঘুমানোর সময় বৃষ্টির অডিও শুনে থাকেন।
রক্ত বৃষ্টি : কখনো কখনো বালি বা মরুভূমির ধুলো বাতাশে উঠে মেঘে মিশে লাল বা হলুদ দেখায়। তাই বৃষ্টি হলে বৃষ্টির পানি লাল বা হলুদ রঙ্গের হয়। এইজন্য এই ধরনের বৃষ্টিকে Blood Rain বা রক্ত বৃষ্টি বলা হয়।
ভিনগ্রহে বৃষ্টি: সেীরজগতের কিছু গ্রহে বৃষ্টি হয়। যেমন টাইটান গ্রহে মিথেন বৃষ্টি, শুক্রগ্রহের এসিড বৃষ্টি।
এসিড বৃষ্টি : এসিড বৃষ্টি হলো এমন একধরণের বৃষ্টিপাত যেক্ষেত্রে পানি অম্লীয় প্রকৃতির হয়। এক্ষেত্রে পানির পি.এইচ ৭ এর চেয়ে কম হয়ে থাকে। এটি এমন এক ধরনের বৃষ্টি যাতে এসিড উপস্থিত থাকে। যেসব এলাকায় বা অঞ্চলে শিল্প-কারখানা বেশি ও বায়ু দূষণ বেশি সেসব স্থানে এসিড বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই প্রবল। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাবের ফল হিসেবে এসিড বৃষ্টিকে চিন্তা করা যায়।





































