ঢাকা ০৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বৃষ্টির অজুহাতে বেড়েছে মাছ-সবজির দাম

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:২৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫
  • / 156

প্রতীকী ছবি

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে মাছ ও সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এতে বেকায়দায় পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি করলা ১০০ টাকা, উস্তা (ছোট করলা) ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বরবটি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, গাজর ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১৪০ টাকা। কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ২৮০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত।

এদিকে সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। রুই মাছের কেজি ৩৫০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা, কাতলা ৪২০ থেকে বেড়ে ৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে বেড়ে ২৪০ টাকা। দেশীয় মাছ যেমন টেংরা, শিং, কই ইত্যাদির দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।

যাত্রাবাড়ীতে সবজি কিনতে ফারুক বলেন, ‘বাজারে সরকারের কঠোর নজরদারি নেই বলেই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। শুক্রবার হলেই বাজারের দাম অকারণেই বেশি হয়ে যায়। কোনটা রেখে কোনটা কিনব এসব চিন্তায় দিশেহারা হয়ে যাই।’

মালিবাগ কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা আমিনল্লাহ বলেন, ‘পাইকারি বাজারের দাম বাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না। আমি যদি অন্যদের থেকে বেশি দামে বিক্রি করি তাহলে তো ক্রেতারা আমার থেকে নেবে না। আমি কেন বাড়তি দামে বিক্রি করব। তবে শুক্রবারে মানুষ বাজারে বেশি আসে। চাহিদাও বেশি থাকে।’

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি রোধে সরকারের কার্যকর বাজার মনিটরিং প্রয়োজন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বৃষ্টির অজুহাতে বেড়েছে মাছ-সবজির দাম

সর্বশেষ আপডেট ১২:২৬:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩ অক্টোবর ২০২৫

টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারে। অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে নিত্যপণ্যের দাম। বিশেষ করে মাছ ও সবজির দামে ঊর্ধ্বগতি লক্ষ্য করা গেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। এতে বেকায়দায় পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির ক্রেতারা।

শুক্রবার (৩ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতিকেজি করলা ১০০ টাকা, উস্তা (ছোট করলা) ১২০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা, কাঁকরোল ৮০ থেকে ৯০ টাকা, বেগুন ১০০ থেকে ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া বরবটি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, গাজর ১২০ টাকা, কচুর লতি ৮০-১০০ টাকা, ঢেঁড়স ৮০ টাকা, টমেটো ১০০-১৪০ টাকা। কাঁচামরিচ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে সর্বনিম্ন ২৮০ টাকা থেকে ৩২০ টাকা পর্যন্ত।

এদিকে সবজির পাশাপাশি মাছের বাজারেও লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ছে। রুই মাছের কেজি ৩৫০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৪০০ টাকা, কাতলা ৪২০ থেকে বেড়ে ৪৮০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে বেড়ে ২৪০ টাকা। দেশীয় মাছ যেমন টেংরা, শিং, কই ইত্যাদির দামও কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা বেড়েছে।

যাত্রাবাড়ীতে সবজি কিনতে ফারুক বলেন, ‘বাজারে সরকারের কঠোর নজরদারি নেই বলেই ব্যবসায়ীরা সুযোগ নিচ্ছেন। শুক্রবার হলেই বাজারের দাম অকারণেই বেশি হয়ে যায়। কোনটা রেখে কোনটা কিনব এসব চিন্তায় দিশেহারা হয়ে যাই।’

মালিবাগ কাঁচাবাজারে সবজি বিক্রেতা আমিনল্লাহ বলেন, ‘পাইকারি বাজারের দাম বাড়লে আমাদের কিছু করার থাকে না। আমি যদি অন্যদের থেকে বেশি দামে বিক্রি করি তাহলে তো ক্রেতারা আমার থেকে নেবে না। আমি কেন বাড়তি দামে বিক্রি করব। তবে শুক্রবারে মানুষ বাজারে বেশি আসে। চাহিদাও বেশি থাকে।’

অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি রোধে সরকারের কার্যকর বাজার মনিটরিং প্রয়োজন।