ঢাকা ০৯:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুলবুলের পরিকল্পনায় টি-টোয়েন্টি ইনিংস!

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
  • / 296

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বশেষ মাঠে নেমেছেন, তখন ক্রিকেটবিশ্বে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের সূচনাই হয়নি। তাই এই ঘরানার ক্রিকেট খেলার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। তবে ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণে এবার ভিন্ন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চান তিনি—বোর্ড সভাপতির আসনে বসে দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উন্নয়নে রাখবেন বলিষ্ঠ ‘স্টেটমেন্ট’।

শুক্রবার (৩০ মে)  বিসিবির ১৬তম সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বুলবুল। এর আগে বিসিবি সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন ফারুক, যিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) মাধ্যমে বোর্ড পরিচালক হয়ে এই পদে আসীন হয়েছিলেন। ফারুকের অপসারণের পর এনএসসি এবার বুলবুলকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়, আর সেখান থেকেই উঠে আসেন বোর্ড সভাপতির পদে।

নবনিযুক্ত বিসিবি সভাপতি হিসেবে আজ শুক্রবার মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বুলবুল নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “টেস্ট তো পাঁচ দিনের খেলা, ওয়ানডে হয় সাত ঘণ্টার। আমি একটি টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলতে চাই—দ্রুত, কার্যকর ও সাহসী ইনিংস। বোর্ডের নেতৃত্বে থেকে এমন একটি ইনিংস খেলেই আমি একটি স্টেটমেন্ট রাখতে চাই।”

বিসিবির পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে। সেই পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন বুলবুল। তবে দায়িত্বের মেয়াদ সম্পর্কে সরাসরি কিছু না বললেও তিনি উল্লেখ করেন, “আমি নির্বাচিত সভাপতি। এখানে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার চিন্তা নিয়ে আসিনি। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে সর্বোচ্চটা দিতে চাই।”

১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে ১৩টি টেস্ট ও ৩৯টি ওয়ানডে খেলা এই ডানহাতি ব্যাটার পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ১৯ বছর আইসিসি ও এসিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কাজ করেছেন ক্রিকেটের উন্নয়নে। আজকের দিনটি তাই তাঁর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করেন বুলবুল।
তিনি বলেন, “৩০ মে ২০২৫, আমার জীবনের একটি নতুন অধ্যায়। আমি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দল থেকে অবসর নিইনি। খেলোয়াড়ি অধ্যায় শেষ হওয়ার পর গত ১৯ বছর ধরে ক্রিকেটের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করেছি। এখন দেশের ক্রিকেটের জন্য সরাসরি অবদান রাখার সময় এসেছে।”

বোর্ড পরিচালনায় পা রাখা মাত্রই টি-টোয়েন্টি মানসিকতা তুলে ধরে বুলবুল যেমন একটি ‘কুইক ইনিংস’ খেলার কথা বললেন, তেমনি বোঝালেন—সময় কম, লক্ষ্য বড়। মাঠে খেলতে না পারলেও এবার নেতৃত্বের ব্যাটে তিনিই হয়তো হাঁকাবেন এক ঝড়ো ইনিংস।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বুলবুলের পরিকল্পনায় টি-টোয়েন্টি ইনিংস!

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সর্বশেষ মাঠে নেমেছেন, তখন ক্রিকেটবিশ্বে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের সূচনাই হয়নি। তাই এই ঘরানার ক্রিকেট খেলার সৌভাগ্য হয়নি তাঁর। তবে ক্রিকেটের এই সংক্ষিপ্ত সংস্করণে এবার ভিন্ন ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে চান তিনি—বোর্ড সভাপতির আসনে বসে দেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের উন্নয়নে রাখবেন বলিষ্ঠ ‘স্টেটমেন্ট’।

শুক্রবার (৩০ মে)  বিসিবির ১৬তম সভাপতি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন বুলবুল। এর আগে বিসিবি সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন ফারুক, যিনি জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) মাধ্যমে বোর্ড পরিচালক হয়ে এই পদে আসীন হয়েছিলেন। ফারুকের অপসারণের পর এনএসসি এবার বুলবুলকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দেয়, আর সেখান থেকেই উঠে আসেন বোর্ড সভাপতির পদে।

নবনিযুক্ত বিসিবি সভাপতি হিসেবে আজ শুক্রবার মিরপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে বুলবুল নিজের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন, “টেস্ট তো পাঁচ দিনের খেলা, ওয়ানডে হয় সাত ঘণ্টার। আমি একটি টি-টোয়েন্টি ইনিংস খেলতে চাই—দ্রুত, কার্যকর ও সাহসী ইনিংস। বোর্ডের নেতৃত্বে থেকে এমন একটি ইনিংস খেলেই আমি একটি স্টেটমেন্ট রাখতে চাই।”

বিসিবির পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে চলতি বছরের অক্টোবর মাসে। সেই পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন বুলবুল। তবে দায়িত্বের মেয়াদ সম্পর্কে সরাসরি কিছু না বললেও তিনি উল্লেখ করেন, “আমি নির্বাচিত সভাপতি। এখানে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমার চিন্তা নিয়ে আসিনি। দায়িত্বে থাকা অবস্থায় দেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে সর্বোচ্চটা দিতে চাই।”

১৯৯৮ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের হয়ে ১৩টি টেস্ট ও ৩৯টি ওয়ানডে খেলা এই ডানহাতি ব্যাটার পরবর্তী সময়ে দীর্ঘ ১৯ বছর আইসিসি ও এসিসির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে কাজ করেছেন ক্রিকেটের উন্নয়নে। আজকের দিনটি তাই তাঁর জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করেন বুলবুল।
তিনি বলেন, “৩০ মে ২০২৫, আমার জীবনের একটি নতুন অধ্যায়। আমি কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দল থেকে অবসর নিইনি। খেলোয়াড়ি অধ্যায় শেষ হওয়ার পর গত ১৯ বছর ধরে ক্রিকেটের উন্নয়নে আন্তর্জাতিক পরিসরে কাজ করেছি। এখন দেশের ক্রিকেটের জন্য সরাসরি অবদান রাখার সময় এসেছে।”

বোর্ড পরিচালনায় পা রাখা মাত্রই টি-টোয়েন্টি মানসিকতা তুলে ধরে বুলবুল যেমন একটি ‘কুইক ইনিংস’ খেলার কথা বললেন, তেমনি বোঝালেন—সময় কম, লক্ষ্য বড়। মাঠে খেলতে না পারলেও এবার নেতৃত্বের ব্যাটে তিনিই হয়তো হাঁকাবেন এক ঝড়ো ইনিংস।