ঢাকা ০৮:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুলবুলের চিঠি নিয়ে ক্রীড়া সংগঠকদের তোলপাড়

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 100

আমিনুল ইসলাম বুলবুল

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে মনোনীত সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের কাউন্সিলর পদ বাতিল করে নতুনভাবে অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা এবং বিসিবির ২০২৪ সালে সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এনএসসির কাউন্সিলর মনোনয়ন বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

বিসিবির যে কোনো চিঠি সাধারণত সিইও ইস্যু করেন। কিন্তু এবার হঠাৎ চিঠিতে সভাপতির স্বাক্ষর থাকায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিজামউদ্দিন চৌধুরী এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং বুলবুলের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিসিবির গঠনতন্ত্রে উল্লেখ আছে, জেলা বা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে একজন সাবেক খেলোয়াড় বা ক্রীড়া সংগঠককে কাউন্সিলর করা আবশ্যক। জেলা ক্রীড়া সংস্থা বলতে ক্লাব, আম্পায়ার, স্কোরার, ম্যাচ রেফারি ও ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য সদস্যদের বোঝায়।

এবার কাউন্সিলর তালিকা জমা দেওয়ার সময় সাধারণত বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু দুই দফা সময় বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাম পাঠানোর সময়সীমা বর্ধিত করা হয়েছে।

সিরাজউদ্দিন বলেন, “সভাপতির পদে এমন সিদ্ধান্ত এবং চিঠিতে স্বাক্ষর দেওয়ায় বাজে দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়।”

বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিএসওএ) বিসিবি সভাপতির চিঠির প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জেলা ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আবেদন জমা দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বুলবুলের চিঠি নিয়ে ক্রীড়া সংগঠকদের তোলপাড়

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরিত একটি চিঠি ক্রীড়া সংগঠকদের মধ্যে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে মনোনীত সাবেক খেলোয়াড় ও ক্রীড়া সংগঠকদের কাউন্সিলর পদ বাতিল করে নতুনভাবে অ্যাডহক কমিটির সদস্যদের কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন চাওয়া হয়েছে। চিঠিতে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের (এনএসসি) বাধ্যবাধকতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সাবেক পরিচালক সিরাজউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর জানান, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা এবং বিসিবির ২০২৪ সালে সংশোধিত গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এনএসসির কাউন্সিলর মনোনয়ন বা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই।

বিসিবির যে কোনো চিঠি সাধারণত সিইও ইস্যু করেন। কিন্তু এবার হঠাৎ চিঠিতে সভাপতির স্বাক্ষর থাকায় প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। নিজামউদ্দিন চৌধুরী এই বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি এবং বুলবুলের প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

বিসিবির গঠনতন্ত্রে উল্লেখ আছে, জেলা বা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে একজন সাবেক খেলোয়াড় বা ক্রীড়া সংগঠককে কাউন্সিলর করা আবশ্যক। জেলা ক্রীড়া সংস্থা বলতে ক্লাব, আম্পায়ার, স্কোরার, ম্যাচ রেফারি ও ক্রিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত অন্যান্য সদস্যদের বোঝায়।

এবার কাউন্সিলর তালিকা জমা দেওয়ার সময় সাধারণত বাড়ানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু দুই দফা সময় বাড়িয়ে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নাম পাঠানোর সময়সীমা বর্ধিত করা হয়েছে।

সিরাজউদ্দিন বলেন, “সভাপতির পদে এমন সিদ্ধান্ত এবং চিঠিতে স্বাক্ষর দেওয়ায় বাজে দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, যা দেশের ক্রিকেটের জন্য ভালো নয়।”

বাংলাদেশ জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংগঠক অ্যাসোসিয়েশন (ডিডিএসওএ) বিসিবি সভাপতির চিঠির প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য জেলা ও বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আবেদন জমা দিয়েছে।