ঢাকা ০৪:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বুকার পুরস্কার জিতলেন ডেভিড সা-লাই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 47

হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা-লাই। ছবি: বাসস

হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা-লাই তার ‘ফ্লেশ’ উপন্যাসের জন্য এ বছর বুকার পুরস্কার জিতেছেন। উপন্যাসটিতে একজন হাঙ্গেরীয় অভিবাসীর অর্থ উপার্জন এবং হারানোর যন্ত্রণাময় গল্প তুলে ধরা হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সা-লাই (৫১) চূড়ান্ত তালিকায় থাকা অপর পাঁচ প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ৫০ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড (৬৫ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার) মূল্যের এ পুরস্কার জেতেন।

২০২৫ সালে এ পুরস্কার প্রাপ্তির চূড়ান্ত তালিকায় ছিলেন ভারতীয় লেখক কিরণ দেশাই ও যুক্তরাজ্যের অ্যান্ড্রু মিলারও। এর আগে ২০১৬ সালে সা-লাই তার ‘অল দ্যাট ম্যান ইজ’ সাহিত্যকর্মের জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য সম্মাননার সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন।

সা-লাইয়ের ষষ্ঠ উপন্যাস ‘ফ্লেশ’-এ পুরুষত্বের একটি অনাকর্ষণীয় অনুসন্ধান রয়েছে। নিরলঙ্কার ও তীক্ষ্ম গদ্যে লেখা ‘ফ্লেশ’-এ স্বল্পভাষী ইস্তভানের জীবনকাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। গল্পে দেখা যায়, কিশোর বয়সে বয়স্ক মহিলার সঙ্গে তার সম্পর্ক, পরে ব্রিটেনে একজন সংগ্রামী অভিবাসী হিসেবে জীবন কাটানো এবং শেষ পর্যন্ত লন্ডনের উচ্চবিত্ত সমাজের বাসিন্দা হয়ে ওঠা।

১৫৩টি জমা পড়া উপন্যাস থেকে সা-লাইয়ের বইটি বেছে নেয় একটি পাঁচ সদস্যের একটি বিচারক প্যানেল। বিচার প্যানেলে ছিলেন আইরিশ লেখক রডি ডয়েল, ‘সেক্স এন্ড দ্য সিটি’ কমেডি ড্রামার অভিনেত্রী সারাহ জেসিকা পার্কার, লেখক আয়োবামি আদেবায়ো ও কাইলি রিড এবং সমালোচক ও লেখক ক্রিস পাওয়ার।

প্যানেলের চেয়ারম্যান রডি ডয়েল ১৯৯৩ সালে বুকার পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি বলেন, বিচারকরা এর মতো কিছু আগে কখনো পড়েননি। বইটি অনেক দিক থেকে বিষণ্ন, কিন্তু পড়তে ভীষণ আনন্দদায়ক।’

বুকার পুরস্কার সংস্থার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সা-লাই বলেন, আমি এমন একটি বই লিখতে চেয়েছি, যা হাঙ্গেরি দিয়ে শুরু হবে, ইংল্যান্ডে শেষ হবে এবং ‘সমসাময়িক ইউরোপের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিভাজন’ অন্বেষণ করবে।

তিনি বলেন, ‘হাঙ্গেরি যখন ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিল, তখন একজন হাঙ্গেরীয় অভিবাসীকে নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস তৈরি করাই স্বাভাবিক মনে হয়েছিল।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বুকার পুরস্কার জিতলেন ডেভিড সা-লাই

সর্বশেষ আপডেট ১০:০৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সা-লাই তার ‘ফ্লেশ’ উপন্যাসের জন্য এ বছর বুকার পুরস্কার জিতেছেন। উপন্যাসটিতে একজন হাঙ্গেরীয় অভিবাসীর অর্থ উপার্জন এবং হারানোর যন্ত্রণাময় গল্প তুলে ধরা হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।

সোমবার (১০ নভেম্বর) সা-লাই (৫১) চূড়ান্ত তালিকায় থাকা অপর পাঁচ প্রার্থীকে পেছনে ফেলে ৫০ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড (৬৫ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার) মূল্যের এ পুরস্কার জেতেন।

২০২৫ সালে এ পুরস্কার প্রাপ্তির চূড়ান্ত তালিকায় ছিলেন ভারতীয় লেখক কিরণ দেশাই ও যুক্তরাজ্যের অ্যান্ড্রু মিলারও। এর আগে ২০১৬ সালে সা-লাই তার ‘অল দ্যাট ম্যান ইজ’ সাহিত্যকর্মের জন্য এই মর্যাদাপূর্ণ সাহিত্য সম্মাননার সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিলেন।

সা-লাইয়ের ষষ্ঠ উপন্যাস ‘ফ্লেশ’-এ পুরুষত্বের একটি অনাকর্ষণীয় অনুসন্ধান রয়েছে। নিরলঙ্কার ও তীক্ষ্ম গদ্যে লেখা ‘ফ্লেশ’-এ স্বল্পভাষী ইস্তভানের জীবনকাহিনী তুলে ধরা হয়েছে। গল্পে দেখা যায়, কিশোর বয়সে বয়স্ক মহিলার সঙ্গে তার সম্পর্ক, পরে ব্রিটেনে একজন সংগ্রামী অভিবাসী হিসেবে জীবন কাটানো এবং শেষ পর্যন্ত লন্ডনের উচ্চবিত্ত সমাজের বাসিন্দা হয়ে ওঠা।

১৫৩টি জমা পড়া উপন্যাস থেকে সা-লাইয়ের বইটি বেছে নেয় একটি পাঁচ সদস্যের একটি বিচারক প্যানেল। বিচার প্যানেলে ছিলেন আইরিশ লেখক রডি ডয়েল, ‘সেক্স এন্ড দ্য সিটি’ কমেডি ড্রামার অভিনেত্রী সারাহ জেসিকা পার্কার, লেখক আয়োবামি আদেবায়ো ও কাইলি রিড এবং সমালোচক ও লেখক ক্রিস পাওয়ার।

প্যানেলের চেয়ারম্যান রডি ডয়েল ১৯৯৩ সালে বুকার পুরস্কার জিতেছিলেন। তিনি বলেন, বিচারকরা এর মতো কিছু আগে কখনো পড়েননি। বইটি অনেক দিক থেকে বিষণ্ন, কিন্তু পড়তে ভীষণ আনন্দদায়ক।’

বুকার পুরস্কার সংস্থার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সা-লাই বলেন, আমি এমন একটি বই লিখতে চেয়েছি, যা হাঙ্গেরি দিয়ে শুরু হবে, ইংল্যান্ডে শেষ হবে এবং ‘সমসাময়িক ইউরোপের সাংস্কৃতিক ও অর্থনৈতিক বিভাজন’ অন্বেষণ করবে।

তিনি বলেন, ‘হাঙ্গেরি যখন ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দিল, তখন একজন হাঙ্গেরীয় অভিবাসীকে নিয়ে লেখা একটি উপন্যাস তৈরি করাই স্বাভাবিক মনে হয়েছিল।’