বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন নিয়ে মাদুরোর অভিযোগ
- সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৫
- / 143
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিশ্বের বৃহত্তম যুদ্ধজাহাজ মোতায়েনের পর যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে “যুদ্ধ বানিয়ে নেওয়ার” অভিযোগ করেছেন। তার দাবি, এটি অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তি বৃদ্ধির একটি বড় পদক্ষেপ এবং একটি “নতুন যুদ্ধ জালিয়াতি”।
প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ শুক্রবার ভূমধ্যসাগর থেকে ৯০টি বিমান বহন করতে সক্ষম ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড নামের বিমানবাহী রণতরীটি ক্যারিবীয় অঞ্চলে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে মাদুরো বলেন, “তারা একটি নতুন, চিরন্তন যুদ্ধ জালিয়াতি করছে। তারা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে আর কখনো যুদ্ধে জড়াবে না, অথচ এখন আবার যুদ্ধের জাল বুনছে।”
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ক্যারিবীয় অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়িয়েছে—যুদ্ধজাহাজ, পারমাণবিক সাবমেরিন এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে। তাদের দাবি, এটি মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত একটি অভিযান।
ওই অভিযানে মার্কিন বাহিনী পাচারকারীদের বলে দাবি করা অন্তত ১০টি নৌকায় বিমান হামলা চালায়। শুক্রবারের হামলায় ছয়জন “মাদক-সন্ত্রাসী” নিহত হয়েছে বলে জানান প্রতিরক্ষা সচিব হেগসেথ।
এই অভিযানটি ক্যারিবীয় সাগরে পরিচালিত হয়, যা হেগসেথের ভাষায় ভেনেজুয়েলার অপরাধী সংগঠন “ট্রেন দে আরাগুয়া”-এর সদস্যদের লক্ষ্য করে চালানো হয়।
তবে এসব হামলা অঞ্চলে ব্যাপক নিন্দার জন্ম দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা এর বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।
মার্কিন প্রশাসন বলছে, তারা মাদক পাচারের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে। কিন্তু বহু বিশেষজ্ঞ এবং মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরা অভিযোগ করেছেন—এই পদক্ষেপ আসলে ভেনেজুয়েলার সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে ভয় দেখানোর কৌশল।
মাদুরো দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচক। অপরদিকে, ট্রাম্প মাদুরোকে “মাদক পাচারকারী সংগঠনের নেতা” হিসেবে অভিযুক্ত করেছেন, যা মাদুরো বরাবরই অস্বীকার করে আসছেন।
সূত্র: বিবিসি





































