বিশ্বজুড়ে আলো ছড়াচ্ছে ‘বাংলা সিনেমা’
- সর্বশেষ আপডেট ১২:১২:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
- / 89
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা,অস্ট্রেলিয়া, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের নানা প্রান্তে এখন ছড়িয়ে পড়ছে বাংলা সিনেমার দর্শক। প্রবাসীদের অগ্রহ ও বিদেশি আয়-দুটোই এখন ঢালিউডের বড় ভরসা। শুধু তাই নয়, আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতেও বাংলাদেশি প্রযোজক ও তহবিল, যা নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিচ্ছে দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য।
চলতি বছর বিদেশি বাজার থেকে আয়েই এগিয়ে ছিল বরবাদ, জংলি ও দাগি। পরে তালিকায় যুক্ত হয় উৎসব ও তান্ডব। প্রতিটি সিনেমার গড় আয় এক লাখ মার্কিন ডলারের বেশি। জংলি সিনেমার প্রযোজক ও বিদেশি পরিবেশকে জাহিদ হাসান বলেন, দেশে এখন হল কম, মাল্টিপ্লেক্সও সীমিত। তাই বিদেশি বাজার আমাদের জন্য আশীর্বাদ। জংলি থেকেই আমরা এক লাখ ডলারের বেশি আয় করেছি-এটা বড় অনুপ্রেরণা।
অন্যদিকে পরিচালক তানিম নূরের উৎসব বিদেশে তিন লাখ ডলারের মতো আয় করে নতুন রেকর্ড গড়েছেন। তিনি মনে করেন, বিদেশি দশর্ক আমাদের সিনেমা পছন্দ করছে। আরও বড় পরিসরে রিলিজ দিতে পারলে আয় আয় আরও বাড়বে। একটি সূত্র জানায়, ২০২৫ সালে বিদেশি বাজার থেকে মোট আয় দাড়িয়েছে প্রায় ১২ লাখ মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশি সিনেমা বালুর নগরী এ বছর চেক রিপাবলিকের কার্লোভি ভেরি চলচ্চিত্র উৎসবে প্রতিযোগিতা করে ‘গ্রাঁ প্রি’পুরষ্কার জিতে নেয়- যার অর্থমূল্য ১৫ হাজার ডলার। এরপর সিনেমাটি বুসান, কায়রো ও ব্যাংককসহ দশটি বেশি উৎসবে অংশ নেয়।
অন্যদিকে আদনান অল রাজীব পরিচালিত স্বল্পদৈর্ঘ্য আলী ৭৮ তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়ে বিশেষ স্বীকৃতি অর্জন করে। এতে অভিনয় করেছেন আল আমিন।
বাংলাদেশি সিনেমায় এখন যুক্ত হচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রযোজক ও তহবিল। বার্লিন ওয়র্ল্ড সিনেমা ফান্ড অনুদান, যা পরিচালনা করেছেন রবিউল আলম ও প্রযোজনা করেছেন ফজলে হাসান। এর আগেও একই তহবিল থেকে ৫০ হাজার ইউরো সহায়তা পেয়েছিল রুবাইয়াত হোসেনের দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড।
নতুন আশার সূর্য:
দেশীয় বাজারে সংকট থাকলেও বিদেশে ক্রমেই বাড়ছে বাংলা সিনেমার চাহিদা। আন্তর্জাতিক তহবিল,প্রযোজনা ও পুরোষ্কারের ধারাবাহিক সাফ্যলো নতুন করে আশাবাদী চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা। তাদের বিশ্বাস, এই গতি বজায় থাকলে খুব শিগগিরই বিশ্ব সিনেমার মানচরিতত্রে শক্ত জায়গা করে নেবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র।






































