ঢাকা ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিমানের মাসুদ খানের বিরুদ্ধে গোপন নথি সরানোর অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 177

বিমানের উপ-মহাব্যবস্থাপক মাসুদ খান সাময়িক বরখাস্ত

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাময়িক বরখাস্ত করা উপমহাব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক) মো. আল মাসুদ খানের বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া অফিসে প্রবেশ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাকে ‘কারণ দর্শানোর নোটিশ’ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে মাসুদ খান প্রধান কার্যালয় বলাকা ভবনের আইন উপবিভাগে প্রবেশ করেন এবং ১২টা ৪৭ মিনিটে একটি ব্যাগ হাতে বের হয়ে যান। বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই সময় অফিসে কোনো কর্মদিবস ছিল না এবং তিনি ‘ফেস আইডি’ ব্যবহার না করেই প্রবেশ করেছেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ, অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নওসাদ হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, আইন উপবিভাগ একটি অতীব গোপনীয় দপ্তর, যেখানে সংবেদনশীল দলিল ও মামলাসংক্রান্ত নথি সংরক্ষিত থাকে। বরখাস্ত থাকা অবস্থায় অনুমতি ছাড়া প্রবেশ ও ব্যাগ বের করা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। নোটিশে মাসুদ খানকে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ৯ অক্টোবর দুর্নীতি, তথ্য গোপন রাখা এবং আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগে মাসুদ খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন তিনি নির্ধারিত ঠিকানায় অবস্থান করবেন এবং নিয়মিত হাজিরা দেবেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বরখাস্তকালীন সময়ে জরুরি আদালত প্রতিবেদনের সময় মিস করেছেন এবং ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর জমা পড়া তদন্ত প্রতিবেদনও আদালতে দাখিল করেননি। এছাড়া কন্টেম্প কেস ২৪০/২০২৫ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো মামলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেননি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মচারী প্রবিধানমালা, ১৯৭৯-এর ৫৮ ধারার অধীনে তার সাময়িক বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে বাধ্য থাকবেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিমানের মাসুদ খানের বিরুদ্ধে গোপন নথি সরানোর অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩২:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের সাময়িক বরখাস্ত করা উপমহাব্যবস্থাপক (আইনবিষয়ক) মো. আল মাসুদ খানের বিরুদ্ধে অনুমতি ছাড়া অফিসে প্রবেশ ও গুরুত্বপূর্ণ নথি সরানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তাকে ‘কারণ দর্শানোর নোটিশ’ দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, গত শনিবার (১১ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ১৪ মিনিটে মাসুদ খান প্রধান কার্যালয় বলাকা ভবনের আইন উপবিভাগে প্রবেশ করেন এবং ১২টা ৪৭ মিনিটে একটি ব্যাগ হাতে বের হয়ে যান। বিমান কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই সময় অফিসে কোনো কর্মদিবস ছিল না এবং তিনি ‘ফেস আইডি’ ব্যবহার না করেই প্রবেশ করেছেন।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের পরিচালক (প্রশাসন ও মানবসম্পদ, অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. নওসাদ হোসেন স্বাক্ষরিত নোটিশে বলা হয়েছে, আইন উপবিভাগ একটি অতীব গোপনীয় দপ্তর, যেখানে সংবেদনশীল দলিল ও মামলাসংক্রান্ত নথি সংরক্ষিত থাকে। বরখাস্ত থাকা অবস্থায় অনুমতি ছাড়া প্রবেশ ও ব্যাগ বের করা কর্তৃপক্ষের কাছে সন্দেহজনক মনে হয়েছে। নোটিশে মাসুদ খানকে ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে, অন্যথায় বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ৯ অক্টোবর দুর্নীতি, তথ্য গোপন রাখা এবং আদালতের নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগে মাসুদ খানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্তকালীন তিনি নির্ধারিত ঠিকানায় অবস্থান করবেন এবং নিয়মিত হাজিরা দেবেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, তিনি বরখাস্তকালীন সময়ে জরুরি আদালত প্রতিবেদনের সময় মিস করেছেন এবং ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর জমা পড়া তদন্ত প্রতিবেদনও আদালতে দাখিল করেননি। এছাড়া কন্টেম্প কেস ২৪০/২০২৫ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো মামলার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেননি।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের কর্মচারী প্রবিধানমালা, ১৯৭৯-এর ৫৮ ধারার অধীনে তার সাময়িক বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরপোশ ভাতা পাবেন এবং নিয়মিত হাজিরা দিতে বাধ্য থাকবেন।