ঢাকা ১০:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
দুদকের নজরে রাজউকের নথি

বিচারপতি মানিকের ৯০০ কোটি টাকার সম্পদ কেলেঙ্কারি

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / 335

বিচারপতি মানিকের ৯০০ কোটি টাকার সম্পদ কেলেঙ্কারি

সাবেক আপিল বিভাগের বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বর্তমানে কারাগারে। তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি বড় পরিসরের অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রাজউকের কাছে জমির তথ্য ও নথিপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মানিক আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রভাব খাটিয়ে রাজউকের পাঁচ একর জমি নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি বলে দাবি করেন, যা বাস্তবে ছিল না। এরপর সেখানে নিজের ডেভেলপার দিয়ে সাতটি বহুতল ভবন নির্মাণ করেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ৯০০ কোটি টাকা।

তাছাড়া, সরকারি বাড়িতে বসবাস করে দীর্ঘদিন ভাড়া পরিশোধ না করা, লন্ডনে বাড়ি কেনার জন্য অর্থ পাচারের অভিযোগ, রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে অনিয়ম করে প্লট গ্রহণের প্রমাণ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

২৩ জুলাই, দুদকের উপপরিচালক সিফাত উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি রাজউক বরাবর চিঠি পাঠায়, যেখানে বিচারপতি মানিকের নামে জমির মালিকানা, ভবন নির্মাণের অনুমতি, ট্রান্সফার ডিডসহ বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মানিক এর আগেও রাজনৈতিক বক্তব্য, আদালতের নিয়ম ভঙ্গ, এবং বিচার বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে আলোচনায় ছিলেন। তার একাধিক বক্তব্য ও কার্যকলাপ নিয়ে বিচারকদের মধ্যেই অসন্তোষ ছিল।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, রাজউকের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার আইনে চার্জশিট দাখিল করা হবে। ইতিমধ্যে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এমনকি তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুদকের নজরে রাজউকের নথি

বিচারপতি মানিকের ৯০০ কোটি টাকার সম্পদ কেলেঙ্কারি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৯:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

সাবেক আপিল বিভাগের বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক বর্তমানে কারাগারে। তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯০০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) একটি বড় পরিসরের অনুসন্ধান চালাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে রাজউকের কাছে জমির তথ্য ও নথিপত্র চেয়ে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, মানিক আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে প্রভাব খাটিয়ে রাজউকের পাঁচ একর জমি নিজের পৈত্রিক সম্পত্তি বলে দাবি করেন, যা বাস্তবে ছিল না। এরপর সেখানে নিজের ডেভেলপার দিয়ে সাতটি বহুতল ভবন নির্মাণ করেন, যার বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ৯০০ কোটি টাকা।

তাছাড়া, সরকারি বাড়িতে বসবাস করে দীর্ঘদিন ভাড়া পরিশোধ না করা, লন্ডনে বাড়ি কেনার জন্য অর্থ পাচারের অভিযোগ, রাজউকের পূর্বাচল প্রকল্পে অনিয়ম করে প্লট গ্রহণের প্রমাণ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।

২৩ জুলাই, দুদকের উপপরিচালক সিফাত উদ্দিনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটি রাজউক বরাবর চিঠি পাঠায়, যেখানে বিচারপতি মানিকের নামে জমির মালিকানা, ভবন নির্মাণের অনুমতি, ট্রান্সফার ডিডসহ বিস্তারিত তথ্য চাওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মানিক এর আগেও রাজনৈতিক বক্তব্য, আদালতের নিয়ম ভঙ্গ, এবং বিচার বিভাগের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করার অভিযোগে আলোচনায় ছিলেন। তার একাধিক বক্তব্য ও কার্যকলাপ নিয়ে বিচারকদের মধ্যেই অসন্তোষ ছিল।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, রাজউকের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচার আইনে চার্জশিট দাখিল করা হবে। ইতিমধ্যে ব্যাংক হিসাব জব্দ ও বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। এমনকি তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।