ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী অলি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 183

পদত্যাগ করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি

নেপালে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ও তরুণদের ব্যাপক বিক্ষোভের কারণে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। নেপালের সচিবালয় থেকে এ খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত সোমবার থেকে নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা ও সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। অলি সরকারের ঘোষিত কারফিউ উপেক্ষা করে আজও সকাল থেকে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে প্রতিকার দাবি করেছেন।

বিক্ষোভকারীরা নেপালি কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রী ও রাজনীতিকের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালান।

সরকার গত সপ্তাহে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্সসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ রাজধানী কাঠমান্ডুসহ অন্তত সাতটি শহরে রাস্তায় নামেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ বা জেন-জি প্রজন্মের।

সিভিল সার্ভিস হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহন রেগমি জানিয়েছেন, বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে কাঠমান্ডুতে ১৭ জন ও ইতাহারিতে ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চার শতাধিক বিক্ষোভকারী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯০ জন।

বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে। রাজধানীর পার্লামেন্ট ভবনের সামনে থেকে পুলিশের হাতে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। পাশাপাশি কাঠমান্ডু, ললিতপুর ও ভাক্তপুর জেলায় আজ সকাল থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

রাজধানী কাঠমান্ডু ও অন্যান্য এলাকায় বিক্ষোভকারীরা সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আজও সমাবেশ ও প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্র: বিবিসি

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী অলি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:১৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নেপালে সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা ও তরুণদের ব্যাপক বিক্ষোভের কারণে পদত্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। নেপালের সচিবালয় থেকে এ খবর আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

গত সোমবার থেকে নেপালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা ও সরকারি দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। অলি সরকারের ঘোষিত কারফিউ উপেক্ষা করে আজও সকাল থেকে বিক্ষোভকারীরা রাস্তায় নেমে প্রতিকার দাবি করেছেন।

বিক্ষোভকারীরা নেপালি কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ বিভিন্ন মন্ত্রী ও রাজনীতিকের বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুর চালান।

সরকার গত সপ্তাহে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্সসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে হাজার হাজার মানুষ রাজধানী কাঠমান্ডুসহ অন্তত সাতটি শহরে রাস্তায় নামেন। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই তরুণ বা জেন-জি প্রজন্মের।

সিভিল সার্ভিস হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহন রেগমি জানিয়েছেন, বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে কাঠমান্ডুতে ১৭ জন ও ইতাহারিতে ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া চার শতাধিক বিক্ষোভকারী গুরুতর আহত হয়েছেন এবং বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৯০ জন।

বিক্ষোভ দমন করতে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগও উঠেছে। রাজধানীর পার্লামেন্ট ভবনের সামনে থেকে পুলিশের হাতে কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়েছেন। পাশাপাশি কাঠমান্ডু, ললিতপুর ও ভাক্তপুর জেলায় আজ সকাল থেকে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

রাজধানী কাঠমান্ডু ও অন্যান্য এলাকায় বিক্ষোভকারীরা সরকারের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আজও সমাবেশ ও প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্র: বিবিসি