ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 110

জাতীয় ঐকমত্য কমিশন

প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ সোমবার বিকেল চারটায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠক করবেন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা।

কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত সুপারিশের খসড়া নিয়ে আলোচনা হবে। সভাপতির মতামতের ভিত্তিতে খসড়ায় প্রয়োজনমতো সংযোজন বা সংশোধন করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরে পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ তৈরি করে সরকারে জমা দেওয়া হবে। অন্যদিকে, খসড়ায় প্রধান উপদেষ্টার কোনো সংশোধনী না থাকলে তা আজই সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

কমিশনের এক সদস্য বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা কমিশনেরও সভাপতি। আমরা একটি সুপারিশ তৈরি করেছি, যেখানে তার মতামত থাকবে। তাই আজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”

সূত্র আরও জানায়, সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ অনুযায়ী প্রথমে একটি আদেশ জারি করা হবে। গণ-অভ্যুত্থানকে ভিত্তি ধরে এটি হবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’। এ আদেশের অধীনে গণভোট সম্পর্কিত একটি অধ্যাদেশ জারি হবে। এর ভিত্তিতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্দিষ্ট সময় (২৭০ দিন বা প্রথম ৯ মাস) সংসদ সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবে। এ সময়ে সংসদে সংবিধান-সংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হবে। পুরো প্রক্রিয়া জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

আদেশ জারির পর এর কিছু ধারা তাৎক্ষণিকভাবে এবং কিছু পরবর্তী সময়ে কার্যকর হবে। আদেশের কোন ধারা কখন কার্যকর হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। জুলাই সনের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব আদেশের পরিশিষ্টে থাকবে, যেখানে কোনো দলের ভিন্নমতের বিষয় উল্লেখ থাকবে না; শুধুমাত্র কমিশনের ৮৪টি সিদ্ধান্ত অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ঐকমত্য কমিশনের বৈঠক

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে আজ সোমবার বিকেল চারটায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় বৈঠক করবেন কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা।

কমিশন সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের উপায় সংক্রান্ত সুপারিশের খসড়া নিয়ে আলোচনা হবে। সভাপতির মতামতের ভিত্তিতে খসড়ায় প্রয়োজনমতো সংযোজন বা সংশোধন করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরে পূর্ণাঙ্গ সুপারিশ তৈরি করে সরকারে জমা দেওয়া হবে। অন্যদিকে, খসড়ায় প্রধান উপদেষ্টার কোনো সংশোধনী না থাকলে তা আজই সরকারের কাছে জমা দেওয়া হবে।

কমিশনের এক সদস্য বলেন, “প্রধান উপদেষ্টা কমিশনেরও সভাপতি। আমরা একটি সুপারিশ তৈরি করেছি, যেখানে তার মতামত থাকবে। তাই আজ বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে।”

সূত্র আরও জানায়, সনদ বাস্তবায়নের সুপারিশ অনুযায়ী প্রথমে একটি আদেশ জারি করা হবে। গণ-অভ্যুত্থানকে ভিত্তি ধরে এটি হবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ’। এ আদেশের অধীনে গণভোট সম্পর্কিত একটি অধ্যাদেশ জারি হবে। এর ভিত্তিতেই গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। নির্দিষ্ট সময় (২৭০ দিন বা প্রথম ৯ মাস) সংসদ সংবিধান সংস্কার পরিষদ হিসেবে কাজ করবে। এ সময়ে সংসদে সংবিধান-সংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাবগুলো অনুমোদিত হবে। পুরো প্রক্রিয়া জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশে বিস্তারিত উল্লেখ থাকবে।

আদেশ জারির পর এর কিছু ধারা তাৎক্ষণিকভাবে এবং কিছু পরবর্তী সময়ে কার্যকর হবে। আদেশের কোন ধারা কখন কার্যকর হবে তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে। জুলাই সনের ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব আদেশের পরিশিষ্টে থাকবে, যেখানে কোনো দলের ভিন্নমতের বিষয় উল্লেখ থাকবে না; শুধুমাত্র কমিশনের ৮৪টি সিদ্ধান্ত অন্তর্ভুক্ত থাকবে।