ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএসবি গ্লোবালের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 330

বিএসবি গ্লোবালের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার গ্রেপ্তার

মানি লন্ডারিং মামলায় উচ্চশিক্ষার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান এম কে খায়রুল বাশার বাহারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে তাকে ঢাকার ধানমণ্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, ‘মানি লন্ডারিং মামলায় খায়রুল বাশারকে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম টিম গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় ৫০-৬০টি চেক ডিজঅনারের মামলা রয়েছে।’

গত বছরের ১৭ অক্টোবর ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. খায়রুল বাশার ও তার সহযোগীরা তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এই প্রতারণার মাধ্যমে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানায়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএসবি গ্লোবালের চেয়ারম্যান খায়রুল বাশার গ্রেপ্তার

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

মানি লন্ডারিং মামলায় উচ্চশিক্ষার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের চেয়ারম্যান এম কে খায়রুল বাশার বাহারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে তাকে ঢাকার ধানমণ্ডি থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ।

তিনি বলেন, ‘মানি লন্ডারিং মামলায় খায়রুল বাশারকে ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম টিম গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে গুলশান থানায় ৫০-৬০টি চেক ডিজঅনারের মামলা রয়েছে।’

গত বছরের ১৭ অক্টোবর ক্যামব্রিয়ান এডুকেশন গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা। অভিযোগে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মো. খায়রুল বাশার ও তার সহযোগীরা তাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। এই প্রতারণার মাধ্যমে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থীর ২০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানায়।