ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও চালু হবে খাল খনন কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 91

তারেক রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তাঁর দল সরকার গঠন করলে দেশে আবারও ব্যাপকভাবে খাল খননের কর্মসূচি শুরু হবে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে পানি ব্যবস্থাপনা সংস্কার ও খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা দেশের কৃষি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রেখেছিল। দেশের মানুষ সুযোগ দিলে সেই কর্মসূচিই নতুনভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটে খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমানের ভাষ্যে, জিয়াউর রহমানের সময় খাল খননের ফলে বন্যার প্রভাব কমে আসে এবং সেচ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটে। এর ফলে অনেক এলাকায় আগের তুলনায় দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণ পর্যন্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সেই সময় বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন করে এবং সামান্য পরিমাণ হলেও খাদ্য রপ্তানি শুরু করতে সক্ষম হয়। পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত হওয়ায় কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে এবং সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে আবারও চালু হবে খাল খনন কর্মসূচি

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তাঁর দল সরকার গঠন করলে দেশে আবারও ব্যাপকভাবে খাল খননের কর্মসূচি শুরু হবে। তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান যে পানি ব্যবস্থাপনা সংস্কার ও খাল খননের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, তা দেশের কৃষি ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে বড় ভূমিকা রেখেছিল। দেশের মানুষ সুযোগ দিলে সেই কর্মসূচিই নতুনভাবে বাস্তবায়ন করা হবে।

সোমবার রাজধানীর ফার্মগেটে খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমানের ভাষ্যে, জিয়াউর রহমানের সময় খাল খননের ফলে বন্যার প্রভাব কমে আসে এবং সেচ ব্যবস্থায় বড় ধরনের উন্নতি ঘটে। এর ফলে অনেক এলাকায় আগের তুলনায় দ্বিগুণ এমনকি তিনগুণ পর্যন্ত ফসল উৎপাদন সম্ভব হয়েছিল।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, সেই সময় বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন করে এবং সামান্য পরিমাণ হলেও খাদ্য রপ্তানি শুরু করতে সক্ষম হয়। পানি ব্যবস্থাপনা উন্নত হওয়ায় কৃষকের উৎপাদন খরচ কমে এবং সার্বিক খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার হয়।