ঢাকা ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষে ভারতের তিনটি সেনা ঘাঁটি স্থাপন

বাংলা অ্যাফেয়ার্স ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • / 84

প্রতীকী ছবি

বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে শিলিগুঁড়ি করিডোরে নতুন তিনটি সেনা ঘাঁটি স্থাপন করেছে ভারত। ভারতের মূল ভূখ-ের সঙ্গে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যকে যুক্ত করেছে এই করিডোর, যা ‘চিকেন নেক’ করিডোর নামেও পরিচিত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চিকেন নেক করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে বামুনি (ধুবরির কাছে), কৃষাণগঞ্জ এবং চোপড়াতে এসব ঘাঁটি বানানো হয়েছে।

এই করিডর ভারতের মূল ভূখন্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের সাথে যুক্ত করে। ফলে এই করিডরকে স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে ভারত। আঞ্চলিকভাবে করিডরটি চিকেন নেক নামে পরিচিতি। এটি হাত ছাড়া হলে সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে ভারতের মূল ভূখন্ডের স্থল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার একটি উচ্চপদস্থ সূত্র জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ যেসব গ্যাপ ছিল সেগুলোর নজরদারি বাড়ানো এবং দ্রুত সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই সেনা ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে।

এর আগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধানও একই সুরে বলেছিলেন, চিকেন নেকের বিষয়টি আমি ভিন্ন দিক থেকে দেখি। এটি আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অঞ্চল। কারণ পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মোতায়েন থাকা আমাদের সব সেনাকে এখানে দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়ো করে ফেলা সম্ভব।

এরইমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা চোপড়া ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি। এসময় তিনি ভারতীয় সেনাদের নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষে ভারতের তিনটি সেনা ঘাঁটি স্থাপন

সর্বশেষ আপডেট ১১:২৫:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশের সীমান্তের পাশে শিলিগুঁড়ি করিডোরে নতুন তিনটি সেনা ঘাঁটি স্থাপন করেছে ভারত। ভারতের মূল ভূখ-ের সঙ্গে সেভেন সিস্টার্স রাজ্যকে যুক্ত করেছে এই করিডোর, যা ‘চিকেন নেক’ করিডোর নামেও পরিচিত।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চিকেন নেক করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে বামুনি (ধুবরির কাছে), কৃষাণগঞ্জ এবং চোপড়াতে এসব ঘাঁটি বানানো হয়েছে।

এই করিডর ভারতের মূল ভূখন্ডকে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যের সাথে যুক্ত করে। ফলে এই করিডরকে স্পর্শকাতর এলাকা হিসেবে বিবেচনা করে ভারত। আঞ্চলিকভাবে করিডরটি চিকেন নেক নামে পরিচিতি। এটি হাত ছাড়া হলে সেভেন সিস্টার্সের সঙ্গে ভারতের মূল ভূখন্ডের স্থল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

দেশটির গোয়েন্দা সংস্থার একটি উচ্চপদস্থ সূত্র জানিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ যেসব গ্যাপ ছিল সেগুলোর নজরদারি বাড়ানো এবং দ্রুত সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য এই সেনা ঘাঁটি তৈরি করা হয়েছে।

এর আগে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধানও একই সুরে বলেছিলেন, চিকেন নেকের বিষয়টি আমি ভিন্ন দিক থেকে দেখি। এটি আমাদের সবচেয়ে শক্তিশালী অঞ্চল। কারণ পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মোতায়েন থাকা আমাদের সব সেনাকে এখানে দ্রুত সময়ের মধ্যে জড়ো করে ফেলা সম্ভব।

এরইমধ্যে বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা চোপড়া ঘাঁটি পরিদর্শন করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি। এসময় তিনি ভারতীয় সেনাদের নিরাপত্তাজনিত বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় থাকার নির্দেশ দেন।