বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের তিন স্থলবন্দর বন্ধ
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৮:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৫
- / 173
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের অলাভজনক তিনটি স্থলবন্দর বন্ধ ঘোষণা এবং একটি স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
এগুলো হলো- নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন চিলাহাটি স্থলবন্দর, দৌলতগঞ্জ স্থলবন্দর, তেগামুখ স্থলবন্দর। এছাড়া বাল্লা স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম স্থগিত রাখার প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) উপদেষ্টা পরিষদের ৪০তম বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে বিকেলে ফরেন সার্ভিস একাডেমির মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এই স্থলবন্দরগুলোতে কোনও কাজ হচ্ছে না। আরও চারটি আছে, পরবর্তী সময়ে আলোচনা হবে।
প্রসঙ্গত, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন দায়িত্ব গ্রহণের পর দেশের বিভিন্ন স্থলবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে উপদেষ্টা বিগত সরকারের আমলে নির্মিত দেশের অলাভজনক ও কার্যক্রমহীন বিভিন্ন স্থলবন্দরের বিষয়ে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় গত ৬ নভেম্বর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের ৮টি অলাভজনক ও কার্যক্রমহীন স্থলবন্দর যাচাই করা হয়। এসব স্থলবন্দর কার্যকর/অকার্যকরের বিষয়ে যাচাইয়ের লক্ষ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধির সমন্বয়ে ছয় সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ওই আটটি স্থলবন্দর সরেজমিন পরিদর্শন করে প্রতিবেদন দাখিল করে।
এছাড়াও বৈঠকে, ‘গুম প্রতিরোধ, প্রতিকার ও সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫’-এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। গুমের সঙ্গে জড়িতদের বিচারে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে নতুন এই অধ্যাদেশ করা হবে। এই আইনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। ট্রাইব্যুনালে ১২০ দিনের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনের এ খসড়া আজ নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
প্রেস সচিব বলেন, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রতি বছর ১৭ অক্টোবর তারিখে লালন সাঁই-এর তিরোধান দিবস ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে উদযাপনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে। আগে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী ও মৃত্যুবার্ষিকীগুলো ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস ছিল।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপপ্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার, সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
































