ঢাকা ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইস্যুতে চীনের মনোভাব অত্যন্ত ইতিবাচক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 198

সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় চীনের মনোভাব অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজধানীর গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীন ভবিষ্যতে শুধু অবকাঠামো নয়, বরং প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বাংলাদেশে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আগ্রহ দেখিয়েছে।

বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি পাঁচ দিনের চীন সফরে ছিল। সফরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অর্থনৈতিক সংকট ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে চীনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। মির্জা ফখরুল জানান, চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দ্রুত সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

সফরে চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লি হংসং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকে বিএনপি ‘এক চীন নীতি’র প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীনের অগ্রগতির প্রশংসা জানিয়েছে।

চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, বাংলাদেশিদের জন্য চীনের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ এবং দুই দেশের মধ্যে স্থলপথে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তাব আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এছাড়া চীনের কাছে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি, কিছু ফি পুনর্বিবেচনা ও অনুদানের বিষয়েও সহায়তা চাওয়া হয়েছে। চীন এসব বিষয়কে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।

এই সফরে বিএনপির পক্ষে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমানসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাংলাদেশে গণতন্ত্রের ইস্যুতে চীনের মনোভাব অত্যন্ত ইতিবাচক

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১২:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠায় চীনের মনোভাব অত্যন্ত ইতিবাচক বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজধানীর গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, চীন ভবিষ্যতে শুধু অবকাঠামো নয়, বরং প্রযুক্তি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কৃষি খাতে বাংলাদেশে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আগ্রহ দেখিয়েছে।

বিএনপির একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল সম্প্রতি পাঁচ দিনের চীন সফরে ছিল। সফরে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, অর্থনৈতিক সংকট ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে চীনকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। মির্জা ফখরুল জানান, চীনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশে একটি নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে দ্রুত সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।

সফরে চীনের ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্থায়ী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান লি হংসং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, বৈঠকে বিএনপি ‘এক চীন নীতি’র প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বে চীনের অগ্রগতির প্রশংসা জানিয়েছে।

চীনের সহায়তায় বাংলাদেশ-চীন ফ্রেন্ডশিপ হাসপাতাল, কৃষিপণ্য রপ্তানিতে অবকাঠামো উন্নয়ন, বাংলাদেশিদের জন্য চীনের বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ এবং দুই দেশের মধ্যে স্থলপথে যোগাযোগ স্থাপনের প্রস্তাব আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

এছাড়া চীনের কাছে ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বৃদ্ধি, কিছু ফি পুনর্বিবেচনা ও অনুদানের বিষয়েও সহায়তা চাওয়া হয়েছে। চীন এসব বিষয়কে সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছে বলে জানান বিএনপি মহাসচিব।

এই সফরে বিএনপির পক্ষে আরও ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, সেলিমা রহমানসহ দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।