ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঠাকুরগাঁও
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫
  • / 175

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মিনাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ১৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি যুবক রাসেলের মরদেহ অবশেষে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। রোববার (১৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার (১২ জুলাই) ভোরে ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় রাসেল বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান। তিনি হরিপুর রাজবাড়ী এলাকার নিয়াজউদ্দিনের ছেলে।

মিনাপুর বিওপির ইনচার্জ সুবেদার দীপেন কুমার জানিয়েছেন, মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিজিবি, বিএসএফ ও হরিপুর থানা পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই রাসেলের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, মরদেহটি হস্তান্তরের সময় থানার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলাম। নিহত যুবকের পরিবারের হাতে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার পর সীমান্ত নিরাপত্তা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। সীমান্তে প্রাণহানি রোধে আরও কঠোর নজরদারি ও কূটনৈতিক তৎপরতার দাবি জানিয়েছে মানবাধিকারকর্মীরা।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বাংলাদেশির মরদেহ ফেরত দিল বিএসএফ

সর্বশেষ আপডেট ০১:০৫:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ জুলাই ২০২৫

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার মিনাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত ১৭ বছর বয়সী বাংলাদেশি যুবক রাসেলের মরদেহ অবশেষে ফেরত দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী। রোববার (১৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, শনিবার (১২ জুলাই) ভোরে ভারতের অভ্যন্তরে কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় রাসেল বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান। তিনি হরিপুর রাজবাড়ী এলাকার নিয়াজউদ্দিনের ছেলে।

মিনাপুর বিওপির ইনচার্জ সুবেদার দীপেন কুমার জানিয়েছেন, মরদেহ হস্তান্তরের সময় বিজিবি, বিএসএফ ও হরিপুর থানা পুলিশের একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিল। আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষে রাতেই রাসেলের মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এ বিষয়ে হরিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকারিয়া মন্ডল বলেন, মরদেহটি হস্তান্তরের সময় থানার পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলাম। নিহত যুবকের পরিবারের হাতে তা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এই ঘটনার পর সীমান্ত নিরাপত্তা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তা নিয়ে আবারও প্রশ্ন উঠেছে। সীমান্তে প্রাণহানি রোধে আরও কঠোর নজরদারি ও কূটনৈতিক তৎপরতার দাবি জানিয়েছে মানবাধিকারকর্মীরা।