ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান-এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 371

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান-এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

চেক ডিজঅনার মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ চার জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমান রোববার এ পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানা জারি হওয়া অপর দুই জন হলেন নঈম নিজাম এবং শাহেদ মুহাম্মদ আলী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আমজাদ হোসেন মজুমদার সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “গত ২৬ মে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করেন। আসামিরা আদালতে হাজির হননি। রোববার আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।”

অনলাইন নিউজ পোর্টাল সকাল-সন্ধ্যা ডট কমের প্রতিবেদক রাহেনুর ইসলাম ২৬ মে মামলাটি করেছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, রাহেনুর ইসলাম ২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর তিনি পদত্যাগ করেন। কোম্পানির কাছে দীর্ঘ দিনের সার্ভিস বেনিফিট বাবদ টাকা পাওনা থাকায় তাকে ১০টি চেক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে দুইটি চেক নগদায়ন করা হয়। অপর ৮টি চেকের মধ্যে একটি চেকের মূল্য এক লাখ ৯৬ হাজার ৭৮ টাকা। দুইটি চেক নগদায়ন রাহেনুর ইসলাম ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি মুগদা শাখায় জমা দেন। চেকগুলো গত ২৩ মার্চ অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিজঅনার হয়।

গত ৮ এপ্রিল তিনি আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান এবং তাদেরকে অবহিত করা হয় যে চেকগুলো যেন পরিশোধ হয়। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এখন পর্যন্ত আংশিক পাওনা টাকা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান-এমডিসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০১:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

চেক ডিজঅনার মামলায় বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরসহ চার জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুবুর রহমান রোববার এ পরোয়ানা জারি করেন। পরোয়ানা জারি হওয়া অপর দুই জন হলেন নঈম নিজাম এবং শাহেদ মুহাম্মদ আলী।

বাদীপক্ষের আইনজীবী আমজাদ হোসেন মজুমদার সোমবার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “গত ২৬ মে মামলাটি দায়ের করা হয়। আদালত আসামিদের হাজির হতে সমন জারি করেন। আসামিরা আদালতে হাজির হননি। রোববার আমরা আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির আবেদন করি। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন।”

অনলাইন নিউজ পোর্টাল সকাল-সন্ধ্যা ডট কমের প্রতিবেদক রাহেনুর ইসলাম ২৬ মে মামলাটি করেছেন।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, রাহেনুর ইসলাম ২০০৯ সালের ১ জুলাই থেকে দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকায় জ্যেষ্ঠ সহ-সম্পাদক হিসেবে চাকরি শুরু করেন। ২০২৩ সালের ১৬ অক্টোবর তিনি পদত্যাগ করেন। কোম্পানির কাছে দীর্ঘ দিনের সার্ভিস বেনিফিট বাবদ টাকা পাওনা থাকায় তাকে ১০টি চেক প্রদান করা হয়। এর মধ্যে দুইটি চেক নগদায়ন করা হয়। অপর ৮টি চেকের মধ্যে একটি চেকের মূল্য এক লাখ ৯৬ হাজার ৭৮ টাকা। দুইটি চেক নগদায়ন রাহেনুর ইসলাম ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি মুগদা শাখায় জমা দেন। চেকগুলো গত ২৩ মার্চ অপর্যাপ্ত তহবিলের কারণে ডিজঅনার হয়।

গত ৮ এপ্রিল তিনি আসামিদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান এবং তাদেরকে অবহিত করা হয় যে চেকগুলো যেন পরিশোধ হয়। কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এখন পর্যন্ত আংশিক পাওনা টাকা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।