ঢাকা ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি

নিজস্ব প্রতিবেদক, নারায়ণগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 116

বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে এক শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আধুরিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন (২২) কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি কয়েক বছর ধরে ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসেন নূরানী শাখার এক শিক্ষার্থীকে কৌশলে বলাৎকার করেন। রাতে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা মাদরাসায় গিয়ে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পান। অভিযোগ উঠেছে, মাদরাসার সুপারেনটেনডেন্ট সাইফুল ইসলাম বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এরপর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদরাসায় প্রবেশ করে হোসেনকে আটক করে। প্রথমে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে চাপের মুখে ঘটনা স্বীকার করেন। এ সময় উপস্থিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোখলেসুর রহমান বলেন, “এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষককে এলাকাবাসী আটক করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। আমরা তাকে হেফাজতে নিয়েছি, পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষককে গণপিটুনি

সর্বশেষ আপডেট ১০:১১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে এক শিক্ষককে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার আধুরিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন (২২) কুমিল্লার হোমনা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি কয়েক বছর ধরে ওই মাদরাসায় শিক্ষকতা করছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হোসেন নূরানী শাখার এক শিক্ষার্থীকে কৌশলে বলাৎকার করেন। রাতে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানালে তারা মাদরাসায় গিয়ে অন্যান্য ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পান। অভিযোগ উঠেছে, মাদরাসার সুপারেনটেনডেন্ট সাইফুল ইসলাম বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

এরপর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মাদরাসায় প্রবেশ করে হোসেনকে আটক করে। প্রথমে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে চাপের মুখে ঘটনা স্বীকার করেন। এ সময় উপস্থিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে।

ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোখলেসুর রহমান বলেন, “এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষককে এলাকাবাসী আটক করে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছে। আমরা তাকে হেফাজতে নিয়েছি, পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”