ঢাকা ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‎ববিতে ছাত্র সংসদ নিয়ে প্রশাসনের টালবাহানা: শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ববি (বরিশাল)
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 125

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) । ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ছাত্র সংসদ) নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনকে টালবাহানা করার অভিযোগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, ছাত্র সংসদ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রাখা হয়েছে। তারা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হলেও এখনো কোনো বাস্তব অগ্রগতি দেখা যায়নি।

 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্য নির্বাচনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছেন। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এটি এক প্রকার ‘মুলা ঝুলিয়ে রাখার’ কৌশল, যাতে তারা শান্ত থাকে।

 

ইনকিলাব মঞ্চ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ইফতেখার সায়েম বলেন, “আমরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় মনে করি। প্রশাসন ফ্যাসিবাদ বিরোধী শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটকে গুরুত্ব না দিয়ে বাকসু নিয়ে টালবাহানা করছে। কারণ যদি বাকসু কার্যকর হয়, তাদের পুরোনো সেটআপ ভেঙে যেতে পারে। তাই তারা কখনোই বাস্তব নির্বাচন করতে চায় না। আমরা বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করি।”

 

এদিকে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, “ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের অধিকার ও দাবি কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার গণতান্ত্রিক মাধ্যম। এটি নেতৃত্বগুণ বিকাশ, মতপ্রকাশের সুযোগ এবং শিক্ষার্থী-প্রশাসনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি শিক্ষার্থীদের শুধু আশ্বাস দিয়ে শান্ত রাখছেন।”

 

অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সাংবাদিকদের কাছে বলেন, “ছাত্র সংসদ নির্বাচন পিছানোর পেছনে সাংবাদিকদের দায়িত্ব আছে। বাকসু নিয়ে যখন আলোচনা হয়, তখন বিএম কলেজের পক্ষ থেকে বিরোধিতা করা হয়। সাংবাদিকরা এটি নিয়ে লিখে বিষয়টি উপর মহলের নজরে এসেছে। তাই নির্বাচন দিলে সমস্যা হতে পারে। তবে কিছুটা দেরি হলেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

 

সংক্ষিপ্তভাবে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ ও প্রশাসনের পক্ষের টালবাহানা চলছেই। শিক্ষার্থীরা দ্রুত নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য দাবি জানাচ্ছেন, আর প্রশাসন অপেক্ষারত অবস্থান নিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‎ববিতে ছাত্র সংসদ নিয়ে প্রশাসনের টালবাহানা: শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ

সর্বশেষ আপডেট ০২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৬

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ছাত্র সংসদ) নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীরা প্রশাসনকে টালবাহানা করার অভিযোগ করেছেন। শিক্ষার্থীদের দাবি, ছাত্র সংসদ তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার, যা দীর্ঘদিন ধরে স্থগিত রাখা হয়েছে। তারা বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হলেও এখনো কোনো বাস্তব অগ্রগতি দেখা যায়নি।

 

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বর্তমান উপাচার্য নির্বাচনের বিষয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছেন। শিক্ষার্থীরা মনে করেন, এটি এক প্রকার ‘মুলা ঝুলিয়ে রাখার’ কৌশল, যাতে তারা শান্ত থাকে।

 

ইনকিলাব মঞ্চ, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্য সচিব ইফতেখার সায়েম বলেন, “আমরা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে ফ্যাসিস্ট হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয় মনে করি। প্রশাসন ফ্যাসিবাদ বিরোধী শিক্ষার্থীদের ম্যান্ডেটকে গুরুত্ব না দিয়ে বাকসু নিয়ে টালবাহানা করছে। কারণ যদি বাকসু কার্যকর হয়, তাদের পুরোনো সেটআপ ভেঙে যেতে পারে। তাই তারা কখনোই বাস্তব নির্বাচন করতে চায় না। আমরা বিপ্লবের মাধ্যমে গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করি।”

 

এদিকে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বলেন, “ছাত্র সংসদ শিক্ষার্থীদের অধিকার ও দাবি কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরার গণতান্ত্রিক মাধ্যম। এটি নেতৃত্বগুণ বিকাশ, মতপ্রকাশের সুযোগ এবং শিক্ষার্থী-প্রশাসনের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি শিক্ষার্থীদের শুধু আশ্বাস দিয়ে শান্ত রাখছেন।”

 

অধ্যাপক ড. তৌফিক আলম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সাংবাদিকদের কাছে বলেন, “ছাত্র সংসদ নির্বাচন পিছানোর পেছনে সাংবাদিকদের দায়িত্ব আছে। বাকসু নিয়ে যখন আলোচনা হয়, তখন বিএম কলেজের পক্ষ থেকে বিরোধিতা করা হয়। সাংবাদিকরা এটি নিয়ে লিখে বিষয়টি উপর মহলের নজরে এসেছে। তাই নির্বাচন দিলে সমস্যা হতে পারে। তবে কিছুটা দেরি হলেও ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”

 

সংক্ষিপ্তভাবে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে শিক্ষার্থীদের অসন্তোষ ও প্রশাসনের পক্ষের টালবাহানা চলছেই। শিক্ষার্থীরা দ্রুত নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের জন্য দাবি জানাচ্ছেন, আর প্রশাসন অপেক্ষারত অবস্থান নিয়েছে।