ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্ধ হচ্ছে আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন

নিজস্ব প্রতিবদেক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 753

প্রতীকী ছবি

দেশে ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল ফোনগুলো শিগগিরই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। রোববার (২১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, বিটিআরসি জাতীয় পরিচিতি ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মোবাইল ফোন নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ বা প্রদান নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত বা আমদানি করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করার কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ হবে।

সংবাদ সম্মেলনে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘এনইআইআর চালুর মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হবে। এটি একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি মোবাইল ফোনের আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত আইএমইআই নাম্বার ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।’

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, এই উদ্যোগের ফলে বৈধ ও অবৈধ ফোন সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অবৈধভাবে আমদানি করা বা নকল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হবে, ফলে সরকার প্রতিবছর বিপুল রাজস্ব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। একই সঙ্গে দেশীয় মোবাইল উৎপাদন শিল্প সুরক্ষিত হবে।

তিনি বলেন, ‘এনইআইআর শুধু একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নয়, এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে চুরি বা অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দ্রুত শনাক্ত করে ব্লক করা যাবে, যা অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, এনইআইআর বাস্তবায়নে বিটিআরসির পাশাপাশি দেশের চার মোবাইল অপারেটর— গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, বাংলালিংক ও টেলিটক— নিজেদের ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (ইআইআর) সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করছে।

গণমাধ্যমকর্মী ও অপারেটরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের টেলিকম খাত একটি নতুন, নিরাপদ ও স্বচ্ছ যুগে প্রবেশ করবে। সবাইকে অনুরোধ করছি, এই উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন এবং বৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহারে উৎসাহিত করুন।’

সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারীসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন্ধ হচ্ছে আনঅফিসিয়াল মোবাইল ফোন

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

দেশে ব্যবহৃত অবৈধ মোবাইল ফোনগুলো শিগগিরই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। রোববার (২১ জানুয়ারি) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, বিটিআরসি জাতীয় পরিচিতি ও নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে ট্যাগিং করে প্রতিটি মোবাইল ফোন নিবন্ধনের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সেবা গ্রহণ বা প্রদান নিশ্চিত করা, অবৈধভাবে উৎপাদিত বা আমদানি করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ করার উদ্দেশ্যে এনইআইআরের কার্যক্রম পূর্ণাঙ্গ রূপে চালু করার কার্যক্রম শুরু করেছে। এতে সরকারের রাজস্ব আহরণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি ব্যবহৃত মোবাইল ফোনের চুরি ও অবৈধ ব্যবহার রোধ হবে।

সংবাদ সম্মেলনে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব বলেন, ‘এনইআইআর চালুর মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হবে। এটি একটি কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিটি মোবাইল ফোনের আন্তর্জাতিকভাবে অনুমোদিত আইএমইআই নাম্বার ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যবহৃত সিমের সঙ্গে যুক্ত থাকবে।’

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, এই উদ্যোগের ফলে বৈধ ও অবৈধ ফোন সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব হবে। অবৈধভাবে আমদানি করা বা নকল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হবে, ফলে সরকার প্রতিবছর বিপুল রাজস্ব ক্ষতি থেকে রক্ষা পাবে। একই সঙ্গে দেশীয় মোবাইল উৎপাদন শিল্প সুরক্ষিত হবে।

তিনি বলেন, ‘এনইআইআর শুধু একটি প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নয়, এটি নাগরিকের নিরাপত্তা, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও টেলিযোগাযোগ খাতের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার একটি জাতীয় অঙ্গীকার। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে চুরি বা অপরাধে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন দ্রুত শনাক্ত করে ব্লক করা যাবে, যা অপরাধ দমনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

তিনি বলেন, এনইআইআর বাস্তবায়নে বিটিআরসির পাশাপাশি দেশের চার মোবাইল অপারেটর— গ্রামীণফোন, রবি আজিয়াটা, বাংলালিংক ও টেলিটক— নিজেদের ইক্যুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (ইআইআর) সিস্টেম উন্নয়নে কাজ করছে।

গণমাধ্যমকর্মী ও অপারেটরদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘১৬ ডিসেম্বর থেকে বাংলাদেশের টেলিকম খাত একটি নতুন, নিরাপদ ও স্বচ্ছ যুগে প্রবেশ করবে। সবাইকে অনুরোধ করছি, এই উদ্যোগ সম্পর্কে সচেতনতা ছড়িয়ে দিন এবং বৈধ হ্যান্ডসেট ব্যবহারে উৎসাহিত করুন।’

সংবাদ সম্মেলনে বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) এমদাদ উল বারীসহ কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।