ঢাকা ০২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্ধ সুন্দরবন, হতাশ জেলেরা খাবে কী?

নিজস্ব প্রতিবেদক, মোংলা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 232

বন্ধ সুন্দরবন, হতাশ জেলেরা খাবে কী?

সুন্দরবনে চলছে তিন মাসের মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন সুন্দরবনসংলগ্ন মোংলার উপকূলবর্তী জেলেরা। সমুদ্রগামী জেলেদের মতো সুন্দরবনগামী জেলেদের জন্যও খাদ্য সহায়তার দাবি উঠেছে। তবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।

মৎস্য প্রজনন মৌসুম কার্যকর করতে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনে মাছ আহরণ ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের জন্য সুন্দরবন বিভাগের সব রেঞ্জের কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মোংলা উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের জীবিকার একমাত্র উৎস সুন্দরবনের মাছ শিকার। কিন্তু এ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। সমুদ্রগামী জেলেরা নিষেধাজ্ঞাকালে সরকারের খাদ্য সহায়তা পেলেও সুন্দরবনগামী জেলেরা কোনো ধরনের সহায়তা পান না বলে অভিযোগ তাদের।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, সুন্দরবনগামী জেলেদের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং এ নিয়ে শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনগামী নিবন্ধিত জেলেদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। তবে অনিবন্ধিত জেলেসহ এই সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন্ধ সুন্দরবন, হতাশ জেলেরা খাবে কী?

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৪:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

সুন্দরবনে চলছে তিন মাসের মাছ ধরা ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা। ফলে বেকার হয়ে পড়েছেন সুন্দরবনসংলগ্ন মোংলার উপকূলবর্তী জেলেরা। সমুদ্রগামী জেলেদের মতো সুন্দরবনগামী জেলেদের জন্যও খাদ্য সহায়তার দাবি উঠেছে। তবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় মৎস্য বিভাগ।

মৎস্য প্রজনন মৌসুম কার্যকর করতে ১ জুন থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তিন মাস সুন্দরবনে মাছ আহরণ ও পর্যটক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সরকার। এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকরের জন্য সুন্দরবন বিভাগের সব রেঞ্জের কর্মকর্তা ও বনরক্ষীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে মোংলা উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদের জীবিকার একমাত্র উৎস সুন্দরবনের মাছ শিকার। কিন্তু এ মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় দুশ্চিন্তায় পড়েছেন তারা। সমুদ্রগামী জেলেরা নিষেধাজ্ঞাকালে সরকারের খাদ্য সহায়তা পেলেও সুন্দরবনগামী জেলেরা কোনো ধরনের সহায়তা পান না বলে অভিযোগ তাদের।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জাহিদুল ইসলাম জানান, সুন্দরবনগামী জেলেদের বিষয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে এবং এ নিয়ে শিগগিরই ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।

উপজেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনগামী নিবন্ধিত জেলেদের সংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। তবে অনিবন্ধিত জেলেসহ এই সংখ্যা এক লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জেলেরা।