ঢাকা ০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাধের সব জলকপাট

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাঙ্গামাটি
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 108

বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাধের সব জলকপাট

কাপ্তাই হ্রদের পানি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় ১১ দিন পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাধের সবকটি জলকপাট। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এই তথ্য জানান কাপ্তাই কর্ণফুলি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।

তিনি জানান, উজান থেকে পানি নামার প্রবণতা কমে যাওয়ায় হ্রদের পানি বৃদ্ধি হার কমেছে। এছাড়া জলকপাট খোলা থাকায় উজানে প্লাবিত নিম্নাঞ্চলের পানি কিছুটা কমেছে। তাই বাধের সব জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মাহমুদ হাসান আরও বলেন, কাপ্তাই হ্রদের পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। বর্তমানে হ্রদের পানির স্তর ১০৮.২২ এমএসএল রয়েছে। জলকপাট বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলি নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। যদি আবার পানি বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়, তবে পুনরায় জলকপাট খুলে দেওয়া হবে।

তবে নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা ও সড়ক এখনও প্লাবিত রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, হ্রদের পানি স্তর আরও কিছুটা কমলে দুর্ভোগ কমে আসবে।

প্রসঙ্গত, হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তৃতীয় দফায় ৮ সেপ্টেম্বর কাপ্তাই বাধের সব জলকপাট খোলা হয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বন্ধ করা হলো কাপ্তাই বাধের সব জলকপাট

সর্বশেষ আপডেট ০২:০৬:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কাপ্তাই হ্রদের পানি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় ১১ দিন পর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কাপ্তাই বাধের সবকটি জলকপাট। শুক্রবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে এই তথ্য জানান কাপ্তাই কর্ণফুলি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান।

তিনি জানান, উজান থেকে পানি নামার প্রবণতা কমে যাওয়ায় হ্রদের পানি বৃদ্ধি হার কমেছে। এছাড়া জলকপাট খোলা থাকায় উজানে প্লাবিত নিম্নাঞ্চলের পানি কিছুটা কমেছে। তাই বাধের সব জলকপাট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মাহমুদ হাসান আরও বলেন, কাপ্তাই হ্রদের পানির ধারণ ক্ষমতা ১০৯ এমএসএল। বর্তমানে হ্রদের পানির স্তর ১০৮.২২ এমএসএল রয়েছে। জলকপাট বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে ৩২ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলি নদীতে নিষ্কাশন করা হচ্ছে। যদি আবার পানি বৃদ্ধির প্রবণতা দেখা দেয়, তবে পুনরায় জলকপাট খুলে দেওয়া হবে।

তবে নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা ও সড়ক এখনও প্লাবিত রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, হ্রদের পানি স্তর আরও কিছুটা কমলে দুর্ভোগ কমে আসবে।

প্রসঙ্গত, হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় তৃতীয় দফায় ৮ সেপ্টেম্বর কাপ্তাই বাধের সব জলকপাট খোলা হয়েছিল।